Published : 13 May 2026, 05:11 PM
শিল্পসমৃদ্ধ নারায়ণগঞ্জ শহরকে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান।
এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সিটি করপোরেশন এর মধ্যে বেশকিছু প্রকল্পও হাতে নিয়েছে বলে জানান তিনি।
বুধবার সকালে নগরীর প্রধান সড়ক বঙ্গবন্ধু সড়কে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নগরবাসীকে সচেতন করতে বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে একথা বলেন সিটি প্রশাসক।
শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে জাপানের দাতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহযোগিতায় আরবান ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সিটি গভর্নেন্স প্রজেক্টের (ইউডিসিজিপি) অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সিটি প্রশাসক বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে পরিচ্ছন্ন শহর ও রাস্তাঘাট করার লক্ষে কয়েকটি প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। নগরবাসীকেও সেসব প্রকল্পের বিষয়ে অবগত করা এবং পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করেছেন।
নগরবাসীর চলাচলের সুবিধার্থে ফুটপাত থেকে হকারদের সরিয়ে দিয়ে তা হাঁটার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। একইসঙ্গে হকারদের পুনর্বাসনের বিষয়েও কাজ করছে সিটি করপোরেশন।
“ফুটপাত দিয়ে সাধারণ পথচারীরা হাঁটবেন। তা দখল করা যাবে না। তবে, হকারদেরও পুনর্বাসন করা হবে”, বলেন তিনি।
নির্দিষ্ট স্থানে আবর্জনা ফেলার আহ্বান জানিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “জাপানের মানুষ এখানে এসেছে রাস্তা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য, জনগণকে সচেতন করার জন্য। জনগণ সচেতন না হলে একদিকে পরিষ্কার করা হবে, অন্যদিকে ময়লা হয়ে যাবে।”
“এই নারায়ণগঞ্জকে আমরা গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন শহর করতে চাই। গাছ লাগিয়ে এই নারায়ণগঞ্জকে সবুজায়নের শহর করতে চাই। তাপমাত্রা কমাতে চাই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারা দেশে উন্নয়নের কার্যক্রম চালাচ্ছেন, এটি তারই একটি অংশ। এই উন্নয়ন হবে টেকসই। নারায়ণগঞ্জবাসী এ উন্নয়নের সুবিধাভোগী হবে”, যোগ করেন তিনি।
এ কর্মসূচিতে শহরে সচেতনতামূলক র্যালি, নারায়ণগঞ্জ সিটি পার্কে ডাস্টবিন স্থাপন ও পরিচ্ছন্নতা সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়।
এ সময় ইউডিসিজিপির টিম লিডার রাইমন্ড গো, নাসিকের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আজগর হোসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী ইসমাইল চৌধুরী, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আলমগীর হিরণ এবং পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শ্যামল পাল উপস্থিত ছিলেন।