ফারাক্কা চুক্তি নবায়নে জিয়ার নীতি অনুসরণ করা হবে: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
এ ছাড়া আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোতে পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন ফরহাদ হোসেন আজাদ।
ফারাক্কা চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রে ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের করা চুক্তির নীতিকে অনুসরণ করার কথা বলেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
তিনি বলেছেন, “৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গা পানি চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রেক্ষাপটে, তা নবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে একটি কারিগরি কমিটি কাজ করছে। ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের চুক্তির আলোকে নতুন চুক্তি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হবে।”
শনিবার দুপুরে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো এলাকায় নোঙর বাংলাদেশের আয়োজনে মহানন্দা নদী এলাকায় ‘নোঙর রিভার ক্যাম্প’-এর কার্যক্রম উদ্বোধন ও পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
সীমান্ত এলাকার নদীর পানিবণ্টন নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ৫৪টি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে। এসব নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করা এবং নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে সরকার কাজ করছে। এ ছাড়া মিয়ানমারের সঙ্গেও বাংলাদেশের তিনটি আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে।
নদী ও খাল উদ্ধারে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি বিবেচনা করা হবে না জানিয়ে ফরহাদ হোসেন বলেন, “দেশের বিভিন্ন এলাকায় খনন ও পুনরুদ্ধার করা নদী, খাল ও জলাশয় যাতে পুনরায় দখল হয়ে না যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
“নদী উদ্ধারে দলীয় পরিচয় বিবেচনা না করে কাজ করা হবে। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে ফারাক্কা চুক্তি নবায়ন এবং আন্তঃসীমান্ত নদীগুলোতে বাংলাদেশের ন্যায্য পানির অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”
এর আগে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মহানন্দা নদীর সীমান্তবর্তী এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে নোঙর রিভার ক্যাম্পের পতাকা আয়োজকদের হাতে তুলে দিয়ে কার্যক্রমের করেন তিনি। এরপর তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় অংশ নেন।
এ সময় পঞ্চগড় জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, তেঁতুলিয়ার ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম আকাশ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু, নোঙর বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সুমন সামস, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, সদস্য দিন মোহাম্মদ খান, সালাউদ্দীন প্রধান, নাসির খান মিন্টুসহ পরিবেশ কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
