ভোটে জাপার খরচ ‘৫ লাখ’
এর মধ্যে নির্বাচনি প্রচার বাবদ ৩ লাখ ২৫ হাজার, জনসভা আয়োজনে ১ লাখ ১৫ হাজার এবং ‘স্টাফ খরচ’ বাবদ ৬৫ হাজার টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ১৯৬টি আসনে দলের প্রার্থীদের লাখ পাঁচেক টাকা খরচ হওয়ার কথা বলেছে জাতীয় পার্টি (জাপা)।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, এসব আসনে দলটির সর্বোচ্চ তিন কোটি টাকা ব্যয়ের সুযোগ ছিল।
বুধবার দলের চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদেরের (জিএম কাদের) সই করা ব্যয় বিবরণী নির্বাচন কমিশনে দেয় জাতীয় পার্টির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল, যার নেতৃত্বে ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া।
তারা নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের কাছে ত্রয়োদশ সংসদের নির্বাচনি ব্যয় বিবরণী জমা দেন।
এসময় দলের নেতা খলিলুর রহমান খলিল ও মাহমুদ আলম উপস্থিত ছিলেন।
রেজাউল ইসলাম ভূইয়া বলেন, “দলের পক্ষ থেকে আমাদের প্রার্থীদের কোনো অনুদান দেওয়া হয় না। বরাবরই প্রার্থীরা নিজেদের ভোটের ব্যয় বহন করে এবং ব্যয় বিবরণী নির্ধারিত সময়ে জমা দেয়। জাতীয় পার্টির দলীয় নির্বাচনি ব্যয় এবারও কম হয়েছে।”
তিনি জানান, জাপা নির্বাচনি প্রচার বাবদ মোট ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা ও স্টাফ খরচ বাবদ ৬৫ হাজার টাকা ব্যয় করেছে। সব মিলিয়ে ৫ লাখ ৫ হাজার খরচ হয়েছে।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনেও লাখ পাঁচেক টাকা ব্যয়ের হিসাব দিয়েছিল জাতীয় পার্টি। ২০১৮ সালের একাদশ সংসদ নির্বাচনে ছিল সাড়ে ৪ লাখ টাকার মতো।
গেল বছর ইসির কাছে দেওয়া অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪ পঞ্জিকা বছরে জাতীয় পার্টির আয় হয়েছে ২ কেটি ৬৪ লাখ ৩৮ হাজার ৯৩৮ টাকা। দলটি ব্যয় দেখিয়েছে ১ কোটি ৭৯ লাখ ৮৮ হাজার ৪৪ টাকা। দলের হিসাবে জমা ছিল ৮৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৪ টাকা।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো দলের প্রার্থী ২০০ জনের বেশি হলে সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ের সুযোগ রয়েছে। প্রার্থীর সংখ্যা ১০০ থেকে ২০০ জনের মধ্যে হলে খরচ করা যাবে ৩ কোটি টাকা। কোনো দলের প্রার্থীর সংখ্যা ৫০ থেকে ১০০ হলে দেড় কোটি টাকা এবং ৫০ জনের কম হলে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ের সুযোগ রয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে।
আরও পড়ুন
