Published : 07 Dec 2015, 03:14 PM
তার আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, ১১৬ পৃষ্ঠার এই আপিল সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জমা দেওয়া হয়েছে।
“নিম্ন আদালতে এ মামলার কার্যক্রম আমরা স্থগিতেরও আবেদন করেছি আপিলে।”
ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে আগামী ২৮ ডিসেম্বর এ মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন রয়েছে।
সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় খালেদা গ্রেপ্তার হওয়ার পর ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় নাইকো দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। পরের বছর ৫ মে খালেদাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।
এতে অভিযোগ করা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনটি গ্যাসক্ষেত্র পরিত্যক্ত দেখিয়ে কানাডীয় কোম্পানি নাইকোর হাতে ‘তুলে দেওয়ার’ মাধ্যমে আসামিরা রাষ্ট্রের প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার ক্ষতি করেছেন।
মামলা হওয়ার পর খালেদা জিয়া উচ্চ আদালতে গেলে ২০০৮ সালের ৯ জুলাই দুর্নীতির এই মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে হাই কোর্ট, সেই সঙ্গে দেওয়া হয় রুল।
মামলা দায়ের কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও বাতিল ঘোষণা করা হবে না রুলে তা জানতে চাওয়া হয়। ২০০৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর এ মামলায় জামিন পান খালেদা।
প্রায় সাত বছর পর চলতি বছর শুরুতে রুল নিষ্পত্তির মাধ্যমে মামলাটি সচল করার উদ্যোগ নেয় দুদক। খালেদার আবেদনে রুলের ওপর শুনানি করে গত ১৮ জুন রায় দেয় হাই কোর্ট।
খালেদার করা আবেদন খারিজ করে মামলার ওপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়া হয় ওই রায়ে। সেই সঙ্গে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
ওই নির্দেশনা অনুযায়ী গত ৩০ নভেম্বর বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন খালেদা। বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন ঠিক করে দেন।
গত জুনে হাই কোর্টের রায়ের দিনই খালেদার আইনজীবীরা আপিল করার কথা জানিয়েছিলেন। সোমবার তারা সেই আবেদন জমা দিলেন।