আড়ালে বিরুলিয়া জমিদারবাড়ি

  • শ্যাওলায় ছেয়ে গেছে জরাজীর্ণ স্থাপনাগুলো; খুলে পড়ছে জমিদারবাড়ির দেওয়ালের নকশা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    শ্যাওলায় ছেয়ে গেছে জরাজীর্ণ স্থাপনাগুলো; খুলে পড়ছে জমিদারবাড়ির দেওয়ালের নকশা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • শ্যাওলায় ছেয়ে গেছে জরাজীর্ণ স্থাপনাগুলো; খুলে পড়ছে জমিদারবাড়ির দেওয়ালের নকশা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    শ্যাওলায় ছেয়ে গেছে জরাজীর্ণ স্থাপনাগুলো; খুলে পড়ছে জমিদারবাড়ির দেওয়ালের নকশা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • জমিদারবাড়িতে এখন থাকেন জমিদার রজনীকান্তের বংশধরেরা; সংস্কারের অভাবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে স্থাপনাগুলো। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    জমিদারবাড়িতে এখন থাকেন জমিদার রজনীকান্তের বংশধরেরা; সংস্কারের অভাবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে স্থাপনাগুলো। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • বর্তমানে জমিদারবাড়িটি ছাড়া রজনীকান্ত ঘোষের আর কোনো সম্পতি নেই বলে জানিয়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    বর্তমানে জমিদারবাড়িটি ছাড়া রজনীকান্ত ঘোষের আর কোনো সম্পতি নেই বলে জানিয়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ১৯৬৪ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার আগে এ অঞ্চলে জমিজমাসহ বিপুল সম্পদ ছিল জমিদার রজনীকান্ত ঘোষের। দাঙ্গায় রজনীকান্তের বাড়ি লুটপাট হয়, সেই সঙ্গে বেদখল হয় জমিজমা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ১৯৬৪ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার আগে এ অঞ্চলে জমিজমাসহ বিপুল সম্পদ ছিল জমিদার রজনীকান্ত ঘোষের। দাঙ্গায় রজনীকান্তের বাড়ি লুটপাট হয়, সেই সঙ্গে বেদখল হয় জমিজমা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ১৯৬৪ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার আগে এ অঞ্চলে জমিজমাসহ বিপুল সম্পদ ছিল জমিদার রজনীকান্ত ঘোষের। দাঙ্গায় রজনীকান্তের বাড়ি লুটপাট হয়, সেই সঙ্গে বেদখল হয় জমিজমা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ১৯৬৪ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার আগে এ অঞ্চলে জমিজমাসহ বিপুল সম্পদ ছিল জমিদার রজনীকান্ত ঘোষের। দাঙ্গায় রজনীকান্তের বাড়ি লুটপাট হয়, সেই সঙ্গে বেদখল হয় জমিজমা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • জনশ্রুতি আছে, জমিদার নলিনী মোহন সাহার কাছ থেকে ৮৯৬০ টাকা ৪ আনা দিয়ে বাড়িটি কিনে নেন জমিদার রজনীকান্ত।তার বংশধররা এখন সেখানে বসবাস করেন। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    জনশ্রুতি আছে, জমিদার নলিনী মোহন সাহার কাছ থেকে ৮৯৬০ টাকা ৪ আনা দিয়ে বাড়িটি কিনে নেন জমিদার রজনীকান্ত।তার বংশধররা এখন সেখানে বসবাস করেন। ছবি: মাহমুদ জামান অভি