হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ১১১০
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি, ৪৯৮ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সাত জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এ নিয়ে চলতি বছরের এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১০ জনে।
এছাড়া হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ১০৪ জন। সেই হিসাবে হামে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২১৪ জনে।
শুক্রবার শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার পর ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে তিন জন, ঢাকায় দুই জন এবং চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগে এক জন করে মারা গেছে।
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে ঢাকা বিভাগে, ৪৯৮ জন।
এর পরেই আছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১৯৭ জন।
এছাড়া চট্টগ্রামে ১০৩, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮৬, বরিশালে ৬৫, খুলনায় ৫১ ও রংপুর বিভাগে ১৭ জন মারা গেছে।
বুলেটিনে বলা হয়, গত এক দিনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় এক হাজার ১১০ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসে। তাদের মধ্যে এক হাজার ২৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ সময়ে হাম শনাক্ত হয়েছে ২৫ জনের শরীরে।
হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪৫৬ জন, চট্টগ্রামে ১৮৯, সিলেটে ৯৪, বরিশালে ১১৫, খুলনায় ৬০, ময়মনসিংহ ৬৫, রাজশাহীতে ২২ ও রংপুরে ২৪ জন।
বুলেটিন অনুসারে, দেশে হাসপাতালে রোগী ভর্তির সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬৩৩ জন। যার মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯৮ জন।
এদিকে হাম উপসর্গের রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২ লাখ ১৮ হাজার ৮৭০। যার মধ্যে ২৩ হাজার ২৭৩ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হওয়া গেছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হিসাব রাখছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
হাসপাতালে আসা সব রোগী কিংবা হাসপাতালের বাইরে থাকা রোগীদের সবার হাম পরীক্ষা হয় না। ফলে হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর সঠিক সংখ্যা পাওয়া যায় না। কেবল হাসপাতালে আসা বা ভর্তি রোগীর তথ্য নথিভুক্ত করা হয়।
