৭৫ হাজার টাকার শাড়ির মামলা: তানজিন তিশার বিরুদ্ধে এবার তদন্তে সিআইডি
ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া চৌধুরী গত বছরের ২৭ নভেম্বর এ অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মামলাটি করেন।
অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে ফ্যাশন ডিজাইনার আয়েশাহ আনুম ফায়যাহ সানায়া চৌধুরীর করা প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ ও হুমকির মামলার তদন্ত এবার সিআইডি পুলিশকে দিয়েছে আদালত।
বাদীপক্ষের নারাজির আবেদন মঞ্জুর করে রোববার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ আদেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী শুভ্র সিনহা রনি বলেন, “পিবিআইয়ের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বাদীর নারাজির আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে ও সব সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদালত সিআইডিকে মামলাটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।”
ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া চৌধুরী ২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর তানজিন তিশার বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল।
পিবিআই গত বছরের ২৫ মে এ মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। এতে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের ‘সত্যতা পাওয়া যায়নি’ মর্মে প্রতিবেদন বলা হয়। এছাড়া প্রতিবেদনে তানজিন তিশাকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।
কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে বাদী নারাজীর দরখাস্ত দেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গুলশানের ১২৭ নম্বর সড়কে সানায়া চৌধুরীর একটি ফ্যাশন হাউজ ও স্টুডিও রয়েছে। তানজিন তিশা ২০২৪ সালের ১৩ ডিসেম্বর একটি অনুষ্ঠানে পরার জন্য সানায়ার কাছ থেকে ৭৫ হাজার টাকা দামের একটি শাড়ি নেন।
অনুষ্ঠান শেষে পরদিন শাড়িটি ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তা ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন সানায়া। শাড়িটি ফেরত চেয়ে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর তিশাকে ফেইসবুক মেসেঞ্জারে তিনি বার্তা পাঠান।
এরপর শাড়ি ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে তিশা তাকে ‘গালাগাল ও প্রাণনাশের হুমকি’ দেন বলেও অভিযোগ করেন সানায়া।
পরে ২০২৫ সালের ১৩ ও ১৮ মার্চ দুটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে তানজিন তিশার সঙ্গে দেখা হলে আবার শাড়িটি ফেরত চান তিনি। তখনও শাড়িটি ফেরত দেওয়া হয়নি বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।
সানায়ার অভিযোগ, গত বছরের ১০ নভেম্বর মেসেঞ্জারে ফোন করে তানজিন তিশা তার বিরুদ্ধে মামলা করার এবং ‘সামাজিকভাবে হেয় করার’ হুমকি দেন। ওই অভিযোগে ১২ নভেম্বর গুলশান থানায় জিডি করেন তিনি।
