২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

গান-গল্পে জলের গানের সন্ধ্যার আসর

ধানমন্ডিতে গানের ফাঁকে দর্শকের সঙ্গে গল্পেও মাতেন শিল্পীরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Aug 2025, 10:39 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:35 PM

সাদামাটা তবে উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনায় ভরা সংগীত সন্ধ্যায় মাতল গানের দল ‘জলের গান’।

শনিবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডির ভিনটেজ কনভেনশন মিলনায়তনে 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর’ শিরোনামে একক পরিবেশনায় হাজির হন ‘জলের গানের’ শিল্পীরা।

শুরুতে শিল্পীরা শোনান 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান'। এরপর একে একে প্রায় তিন ঘণ্টা চলে আসর।

জলের গানের সদস্য কনক আদিত্য বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম হয়ত এত লোক হবে না। প্রত্যাশার চেয়ে বেশিই লোক এসেছেন।”

জলের গানের শিল্পীরা একে একে গেয়ে শোনান 'দূরে থাকা মেঘ তুই দূরে দূরে থাক', 'কাগজের নৌকা', 'ও ঝরা পাতা', 'শুয়া যাও যাওরে তেপান্তর', 'আন্ধার রাইতে', 'ঘুম পাড়ানিয়া গান আর গাইও না মাগো', 'গোলাবী গোলাবী', 'বকুল ফুল', 'একটু বসিয়া থাকো', 'এমন যদি হত', 'গাউসুল আজম মাইজ ভান্ডারী স্কুল খুইল্যাছে', 'মালা কার লাগিয়া গাঁথো রে সখিসহ’ বিভিন্ন গান।

গানের ফাঁকে দর্শকের সঙ্গে গল্পেও মাতেন শিল্পীরা। কনক আদিত্য বলেন, “কাগজের নৌকা গানটি ২০০২/২০০৩ সাল থেকে এখনো গাওয়া হচ্ছে। আমরা চারুকলায় গানে গানে উড়ে বেড়াতাম। সেই গান এখন আরেক প্রজন্মও গাইছে। বৃষ্টির গান গাইতে গাইতে অনেক সময় বৃষ্টিই চলে এসেছে। এমন কাকতালীয় অনেক ঘটনাও ঘটেছে।”

দর্শক সারি থেকে বার বার অনুরোধ আসে ‘বকুল ফুল’ এবং ‘আন্ধার রাইতে’ গানের জন্য। প্রাণবন্ত সংগীত সন্ধ্যায় মাতেন দর্শক। সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠান চলে রাত পৌনে ১০টা পর্যন্ত।