রাজপালেরও আছে চাপা কষ্ট
বিয়ের পরের বছর প্রসব জটিলতায় তার স্ত্রীর মৃত্যু হয়। তার একদিন বয়সী মেয়েকে রেখে চলে যান তার স্ত্রী।
বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদব, পর্দায় যার উপস্থিতি মানেই কৌতুক-হাসি আর মজার সব কাণ্ড। কিন্তু এই অভিনেতার ব্যক্তিজীবনের এক কষ্টকর অধ্যায়ের কথা তুলে এনেছে আনন্দবাজার।
দর্শকদের হাসিয়ে মন হালকা করে দেওয়া ৫২ বছর বয়সী এই অভিনেতার প্রথম জীবনে হাসি-আনন্দ হারিয়ে গিয়েছিল অনেকদিনের জন্য। তিনি বিয়ে করেছিলেন বয়স ২০ না হতেই। আর্থিক আবস্থা ভালো ছিল না, কাজ করতেন কাপড়ের দোকানে।
বিয়ের পরের বছর প্রসব জটিলতায় তার স্ত্রীর মৃত্যু হয়। তার একদিন বয়সী মেয়েকে রেখে চলে যান তার স্ত্রী। একবুক কষ্ট নিয়ে ২০ বছর বয়সী যাদবকে স্ত্রীর মৃতদেহ সৎকার করতে হয় নিজের হাতে।
রাজপাল বলেন, “এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম। কষ্ট করে একটা চাকরি জুটিয়েছিলাম কাপড়ের কারখানায়। ভেবেছিলাম সুখের সংসার হবে। সন্তানের জন্ম দিতে স্ত্রী গিয়ে মারা গেল। কী কপাল!’’
স্ত্রীর মৃত্যুর পর অভিনেতা হওয়ার লড়াই শুরু হয় তার। পড়াশোন শুরু করেন দিল্লির ‘ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামা’তে। পড়াশোনা শেষে টিভি শো দিয়ে কাজ শুরু করেন। এরপর ২০০০ সালে বড় পর্দায় তার অভিষেক হয় ‘জঙ্গল’ সিনেমা দিয়ে। অভিনেতা হিসেবে নিজেকে ‘প্রতিষ্ঠিত’ করতে আরও এক যুগেরও বেশি সময় লেগে যায়।
এই কৌতুকাভিনেতা আরও জানান, ২০০১ সালে একটি সিনেমার শুটিং করতে গিয়ে আলাপ হয় বর্তমান স্ত্রী রাধার সঙ্গে।
দুই পরিবারের সম্মতিতেই ২০০৩ সালে ফের ঘর বাঁধেন অভিনেতা।
