দীপিকা বিতর্কে কাজল বললেন, তিনিও নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টার পক্ষে
“কর্মঘণ্টার বিষয়টি কাজের চুক্তিপত্রে দেওয়া না থাকলেও সমস্যা হয়নি। চারপাশের মানুষ আমাকে সাহায্য করেছে।"
নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টা ও পারিশ্রমিক নিয়ে মতবিরোধের জেরে ভারতীয় পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গার ‘স্পিরিট’ সিনেমা থেকে দীপিকা পাড়ুকোনের বাদ পড়ার ঘটনা নিয়ে বলিউডে চলছে বিতর্ক। এই প্রসঙ্গে এখন পর্যন্ত কথা বলেছেন অনেক তারকা। এবার মুখ খুলেছেন কাজল।
নিউজ ১৮ লিখেছে, মা হওয়ার পর কাজলও নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টার বাইরে কাজ করতে চাননি। এ সিদ্ধান্তে কাজল তার তার মা আভিনেত্রী তনুজার সমর্থন পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।
কাজল বলেছেন, তার সমস্যাগুলোর বিষয়ে প্রযোজকরা বুঝদারের মত আচরণ করেছেন।
কাজল বলেন, “ইন্ডাস্ট্রির সেই অভিনেতাদের তালিকায় ছিলাম আমি, যারা একটা সময়ে একটি মাত্র সিনেমাতেই কাজ করায় বিশ্বাসী ছিলেন। একসঙ্গে একাধিক প্রজেক্টে কাজ করার পক্ষপাতী ছিলাম না আমি। একটি শেষ হলে তবেই অন্যটি করতে রাজি হতাম।“
কাজের সময়সীমা নিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, “দিনে ২০-৩০ ঘণ্টা কাজ আমাকে কখনো করতে হয়নি। আমি সবসময় নির্দিষ্ট কর্মঘণ্টার মধ্যে কাজ করেছি, এর বাইরে যেতে রাজি নই। আমার মাও আমাকে সমর্থন করেছেন।“
কাজল বলেন, “আমার মেয়ে যখন ছোট, তখন আমার সঙ্গেও একই ধরনের আলোচনা হয় প্রযোজকদের।“
কাজল জানিয়েছেন, ‘ইউ মি অউর হম’ সিনেমার সময় তার মেয়ের বয়স তখন দুই বছর। ওই সময়ে কাজলেরও বাবাও ভর্তি ছিলেন হাসপাতালে।
‘ইউ মি অউর হম’ সিনেমার প্রযোজক ছিলেন কাজলের স্বামী অভিনেতা অজয় দেবগন। কাজলের কথায়, অনেকদিন তাকে সময়ের আগেই কাজ থেকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হত।
“অজয় প্রযোজক থাকায় কাজ সেরে দ্রুত বাসায় চলে যেতাম আবার কোনোদিন হয়ত বাবাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছি।“
‘ফানা’ সিনেমার শুটিংয়ের সময়ও তেমন কোনো সমস্যায় ভুগতে হয়নি কাজলকে।
ওই সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে কাজল বলেন, “সময়ের মধ্যে বাড়ি যেতে পারতাম। কর্মঘণ্টার বিষয়টি কাজের চুক্তিপত্রে দেওয়া না থাকলেও সমস্যা হয়নি। চারপাশের মানুষ আমাকে সাহায্য করেছে “
এর মধ্যে মাতৃত্বকালীন ছুটি কাটিয়ে দীপিকা পর্দায় ফিরতে যে বিশাল অংকের পারিশ্রমিক হাঁকিয়েছিলেন, সেটি ‘কাল’ হয়ে দাঁড়ায়।
ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর আসে ২০ কোটি রুপি পারিশ্রমিক চাওয়ায়, পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা তার ‘স্পিরিট’ সিনেমা থেকে দীপিকাকে বাদ দেন। এছাড়া সিনেমার লভ্যাংশেরও ভাগ চেয়েছিলেন নায়িকা।
দীপিকার ‘অস্বাভাবিক’ দাবির কারণেই নাকি পরিচালক এই সিদ্ধান্ত নেন।
দীপিকা নির্মাতার কাছে বলেছিলেন, তিনি আট ঘণ্টা কাজ করবেন, এর বাইরে নয়। এছাড়া তেলেগু ভাষায় সংলাপ বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন।
আরও পড়ুন:
