ডাকসু: ৯ পয়েন্টে যুবদল-বিএনপির অবস্থানের পাল্টা অভিযোগ ফরহাদের
“আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ করব, যারা নির্বাচন বানচাল করতে চাইছে, তাদেরকে যেন দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হয়,” বলেন শিবিরের ভিপি প্রার্থী।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারপাশে নয়টি স্থানে যুবদল ও বিএনপির নেতাকর্মীরা পাহারা দিচ্ছে অভিযোগ করে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের জিএস প্রার্থী এস এম ফরহাদ বলেছেন, এতে ক্যাম্পাসে 'ভীতিকর পরিস্থিতি' তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আজকে নাটক মঞ্চস্থ হতে দেখলাম।
“অভিযোগ করা হচ্ছে, বাইরের লোকজন নাকি আমাদেরকে পাহারা দিচ্ছে। আমাদের পাহারার দরকার হবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমাদেরকে পছন্দ করে। আমাদের শিক্ষার্থীরা যেভাবে মতামত দেবে, আমরা গ্রহণ করব।
তিনি বলেন, “আমরা বরং দেখেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের চারপাশে নয়টি পয়েন্টে যুবদল ও বিএনপির কর্মীরা পাহারা দিচ্ছে। তাদের কর্মীরা সেলফি তুলে আপলোড দিয়ে লিখছে- ‘একটা সিগনালের অপেক্ষায় আছি, নেতা আহ্বান করলে ঢুকে যাব’। নীলক্ষেতে তাদের দুই গ্রুপ মারামারি পর্যন্ত করেছেন।”
তার অভিযোগ, “আপনারা দেখেছেন, সারাদেশ থেকে লোকজন জড়ো করে ক্যাম্পাসে একটা ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এসব হুমকি-ধামকিকে ভয় পায় না। এটা খুবই দু:খজনক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানাবো যেকোন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে।”
সংবাদ সম্মেলনে শিবিরের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম বলেন, “আজকে আমরা যখন উৎসব মুখর পরিবেশে নির্বাচন করছি। তখন কেউ কেউ নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে। যারা নির্বাচন বানচাল করতে চান, তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে।
“আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ করব, যারা নির্বাচন বানচাল করতে চাইছে, তাদেরকে যেন দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হয়।”
ইউল্যাব স্কুলের কেন্দ্র থেকে ইসলামী আন্দোলনের পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়া এবং একুশে হল, রোকেয়া হলে ছাত্রদলের বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তার করারও অভিযোগ করেন তিনি।
জিএস প্রার্থী ফরহাদ বলেন, “হেরে যেতে দেখলেই ভোট মানব না, এটা ফ্যাসিবাদী আচরণ। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে এবার ডাকসু দিতে বাধ্য হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তাই ডাকসু বানচাল করতে দেওয়া হবে না।
“যেসব জায়গায় অনিয়মের অভিযোগ আসবে, সেখানে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ওপেন করা হোক। অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হোক। কোনো এজেন্ডা তারা বাস্তবায়ন করছে, তা বের করা হোক।”
