‘জনগণের টাকায়’ ভোট করতে চান চট্টগ্রাম এনসিপির আরিফ
কোনো স্থাবর সম্পত্তি নেই আরিফের; হাতে রয়েছে নগদ ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৫ লাখ টাকা খরচের পরিকল্পনা রয়েছে চট্টগ্রামে এনসিপির একমাত্র প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফের, যার পুরোটাই তিনি স্থানীয় জনসাধারণ ও ভোটারদের কাছ থেকে সংগ্রহ করবেন বলে হলফনামায় তুলে ধরেছেন।
মনোনয়নপত্রের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আরিফ পেশা হিসেবে দেখিয়েছেন সাংবাদিকতা। সেখান থেকে তার বছরে আয় ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা।
হলফনামায় নিজের হাতে নগদ ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা থাকার তথ্য দিয়েছেন তিনি। এর বাইরে নিজের নামে জমি, ফ্ল্যাট, ভবন, বাণিজ্যিক জায়গার মতো কোনো ধরনের স্থাবর সম্পত্তি নেই।
হলফনামার পাশাপাশি প্রার্থীদের নির্বাচনের সম্ভাব্য খরচ ও সেগুলোর উৎসের বিবরণের তথ্যও জমা দিতে হয়।
চট্টগ্রাম-৮ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। নির্বাচনি আইন অনুযায়ী ভোটার প্রতি ১০ টাকা হিসেবে এ আসনের একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৫৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ টাকা ব্যয় করতে পারবেন।
হালানাগদ করা আরপিওতে (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) বলা রয়েছে-নিবন্ধিত দল কোনো ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা অনুদান নিতে পারবে। আর কোনো প্রার্থী ৫০ হাজার বা তার বেশি টাকা নিতে হলে তা তাকে ব্যাংকের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে হবে। সঙ্গে তাকে দাতার আয়কর রিটার্নের তথ্যও দাখিল করতে হবে।
এনসিপি চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে নয়টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছিল। তবে তাদের মধ্যে সাতজন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জোবাইরুল আরিফ ছাড়া অন্য কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেয়নি।
চট্টগ্রাম-৮ আসন গঠিত বোয়ালখালী উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ৩ থেকে ৭ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ, জামায়াত ইসলামীর আবু নাছেরসহ নয়জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করেছে রিটার্নিং কর্মকর্তা।
