তারেককে অর্থের যোগানদাতা কারা, বুঝতে বাকি নেই: নাছির
“জিয়াউর রহমানের সন্তান তারেক রহমানের বৈধ কোনো আয় উপার্জন নেই। তিনি এক অর্থে বেকার। তারপরেও তিনি লন্ডনে বসে দামী গাড়ি ও বাড়ি ব্যবহার করে বিলাসবহুল জীবন যাপন করছেন।”
তারেক রহমানসহ দণ্ডিত পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন।
বুধবার বিকালে বঙ্গবন্ধুর ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বন্দর থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “বিলম্বে হলেও উচ্চতর আদালত দেশের গণমাধ্যমে তারেক রহমানের প্রচার প্রপাগান্ডা নিষিদ্ধ করার যথাযথ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। এজন্য উচ্চতর আদালত কর্তৃপক্ষকে সাধুবাদ জানাই।”
তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমানের সন্তান তারেক রহমানের বৈধ কোনো আয় উপার্জন নেই। তিনি এক অর্থে বেকার। তারপরেও তিনি লন্ডনে বসে দামী গাড়ি ও বাড়ি ব্যবহার করে বিলাসবহুল জীবন যাপন করছেন।
“এমনকি সরকার ও রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি হননে লবিস্ট নিয়োগ করে হাজার হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করছেন। বুঝতে বাকি নেই তার এই বিপুল পরিমাণ অর্থের যোগানদাতা কারা।”
নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির বলেন, “তারেক রহমানসহ ১৫ ও ২১ অগাস্টের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তি কার্যকর করতে হবে। আদালতের রায় অনুযায়ী এই শাস্তি নিশ্চিত না হলে মানবিকতা ভুলন্ঠিত হবে এবং গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিরাপদ থাকবে না।”
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “বিএনপি একটি ফ্যাসিবাদী সংগঠন। কারণ তাদের জন্ম ক্যান্টনমেন্টে। বিশ্বে ফ্যাসিবাদের উন্মেষ ঘটেছে সামরিক স্বৈরাচার থেকে। অথচ মির্জা ফখরুল যিনি আপাদমস্তক জ্ঞানপাপী ও মিথ্যাচারী, তিনি বলে বেড়াচ্ছেন আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী। তিনি শিক্ষিত হয়েও ফ্যাসিবাদের সংজ্ঞা জানেন না।
“ফ্যাসিবাদের আঁতুড়ঘর থেকে জন্ম নেওয়া বিএনপি নামক অরাজনৈতিক শক্তিটি বিশ্বমানবতার শত্রু এবং ধর্মান্ধ উগ্র জঙ্গীবাদের সূতিকাগার। এই অপশক্তি সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য অকল্যাণকর।”
মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “নির্বাচন কোন বিদেশী প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী নয়। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্ধারিত সময়ে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবেই। এই নির্বাচন ঠেকানোর শক্তি কারো নেই। যারা ঠেকাতে চাইবে তাদেরকে রাজপথে প্রতিহত করা হবে।”
বন্দর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুলতান আহমদের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াছের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নঈম উদ্দীন চৌধুরী, খোরশেদ আলম সুজন ও আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, ধর্ম সম্পাদক হাজী জহুর আহমদ, উপ প্রচার সম্পাদক শহীদুল আলম, নির্বাহী সদস্য রোটারিয়ান মো. ইলিয়াছ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মো. হাসান মুরাদ, মো. হাসান, জানে আলম, ইস্কান্দার মিয়া প্রমুখ।
