১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং গুঁড়িয়ে ফের ম্যাচ সেরা মুজারাবানি

বিশ্বের সেরা ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে ভালো করতে পেরে খুশি টানা দ্বিতীয় ম্যাচে সেরার পুরস্কার জেতা জিম্বাবুয়ের পেসার।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং গুঁড়িয়ে ফের ম্যাচ সেরা মুজারাবানি
ম্যাচ সেরার পুরস্কার হাতে ব্লেসিং মুজারাবানি। ছবি: জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট ফেইসবুক।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 Feb 2026, 05:03 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:56 PM

আহামরি বড় কোনো লক্ষ্য দিতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। তবে বোলারদের নৈপুণ্যে দেড়শ ছাড়ানো পুঁজি নিয়েই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে স্মরণীয় এক জয় তুলে নেয় তারা। যেখানে সবচেয়ে বড় অবদান রাখতে পেরে ভীষণ খুশি আফ্রিকার দলটির পেসার ব্লেসিং মুজারাবানি।

কলম্বোতে শুক্রবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ১৬৯ রান করে অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারায় জিম্বাবুয়ে। দলের অবিস্মরণীয় জয়ের পথে স্রেফ ১৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন মুজারাবানি।

ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতে নেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তার আগের সেরা বোলিং ছিল ৮ রানে তিন উইকেট।

ওমানকে হারানোর ম্যাচেও বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন মুজারাবানি। ১৬ রানে তিন শিকার ধরে ওই লড়াইয়ের ‘ম্যান অব দা ম্যাচও’ হয়েছিলেন ২৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। টি-টোয়েন্টি এই দুইবারই সেরার স্বীকৃতি পেলেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার রান তাড়ায় নিজের প্রথম বলেই দলকে সাফল্য এনে দেন মুজারাবানি। ইনিংসে দ্বিতীয় ওভার করতে আসা বোলারকে পুল করে বাউন্ডারিতে ধরা পড়েন জশ ইংলিশ।

নিজের পরের ওভারে এবার মুজারাবানি শিকার ধরেন দ্বিতীয় বলে। চোট কাটিয়ে দলে টিম ডেভিডকে বিদায় করে দেন তিনি। তৃতীয় ওভারে কোনো উইকেট পাননি এই ক্রিকেটার।

১৯তম ওভারে কোটার শেষ ওভারটি করতে আসেন মুজারাবানি। ওভারের শেষ তিন বলের মধ্যে ফিফটি করা ম্যাট রেনশ (৬৫) ও অ্যাডাম জ্যাম্পাকে ফিরিয়ে দেন তিনি। জ্যাম্পার উইকেট নিতে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে একশ উইকেটের মাইলফলকও স্পর্শ করেন এই পেসার। 

ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মুজারাবানির কণ্ঠে ঝরে অস্ট্রেলিয়ার মতো দলের বিপক্ষে ভালো বোলিং করতে পারার উচ্ছ্বাস।

“হ্যাঁ, এটা আমার সেরা বোলিং। বিশ্বের সেরা কয়েকজন ব্যাটসম্যানের বিপক্ষে বল করতে পেরেছি, তাই এমন পারফরম্যান্স করতে পেরে ভীষণ ভালো লাগছে। সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, বুঝতে পেরেছিলাম বাউন্ডারি আমার পক্ষে ছিল, তাই সেটাকেই কাজে লাগাতে হয়েছে। উইকেটও একটু ধীরগতির ছিল।”

অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে খেলার সুযোগই জিম্বাবুয়ের আসে কদাচিৎ। সেই প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে কুলীন এই দেশটিকে হারিয়েছিল তারা। পরের প্রায় ১৯ বছরে এই সংস্করণে তাদের তৃতীয় সাক্ষাৎ এটি। আরেকটি জয়ে জিম্বাবুয়ে ফিরিয়ে এনেছেন সেই বিশ্বকাপের স্মৃতি।

ম্যাচটি জিতে মুজারাবানি বললেন, তাদের মনোযোগ এখন পরের ম্যাচে। বিশ্বকাপের সুপার এইটে জায়গা পেতে চায় তারা।

“অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। তবে পরের ধাপে যেতে পারলে আরও খুশি হব। তাই পরের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে আছি।”

ওমানের পর অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলে দুইয়ে আছে জিম্বাবুয়ে। গ্রুপ পর্বে আরও দুই ম্যাচ বাকি তাদের।

আগামী মঙ্গলবার আয়ারল্যান্ড ও এক দিন পর শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে জিম্বাবুয়ে।