Published : 13 Feb 2026, 09:22 PM
পাওয়ার প্লেতে দুই ওভার বোলিং করে উইকেট দুটি। ডেথ ওভারে দুই ওভারে শিকার আরও তিনটি। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো পাঁচ উইকেটের স্বাদ পেলেন জুনাইদ সিদ্দিকি। কীভাবে এলো এই সাফল্য, ম্যাচ শেষে বললেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের অভিজ্ঞ এই পেসার।
বিশ্বকাপে শুক্রবার কানাডাকে ১৫০ রানে আটকে রাখতে বল হাতে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন জুনাইদ। চার ওভারে ৩৫ রানে ৫ উইকেট নেন তিনি।
দলের ৫ উইকেটে জয়ের ম্যাচে আরিয়ানশ শার্মা (৫৩ বলে ৭৪*) ও সোহাইব খান (২৯ বলে ৫১) ঝড়ো ইনিংস খেললেও ‘ম্যান অব দা ম্যাচ’ জুনাইদই।
টি-টোয়েন্টিতে আরব আমিরাতের সফলতম বোলার জুনাইদ। তিনি ছাড়া উইকেটের সেঞ্চুরি নেই দলটির আর কারো। প্রথমবার পাঁচ উইকেটের দেখা পেলেন তিনি ৮৮তম ম্যাচে এসে।
এই প্রথম বিশ্বকাপের ম্যাচে পাঁচ উইকেটের স্বাদ পেলেন আরব আমিরাতের কোনো বোলার। এর আগে দলটির আহমেদ রাজা (২০২২) ও জুহাইব জুবাইর (২০২৫) এই স্বাদ পেলেও তা বিশ্বকাপে ছিল না।
বিশ্বকাপের ম্যাচে আইসিসির সহযোগী দেশগুলোর কোনো বোলারের পাঁচ উইকেটের স্রেফ দ্বিতীয় নজির এটি। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৯ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন নেদারল্যান্ডসের আহসান মালিক।
চলতি আসরে জুনাইদের আগে পাঁচ উইকেট নিতে পারেন শুধু ওয়েস্ট ইন্ডিজের রোমারিও শেফার্ড।
দিল্লির আরুন জেটলি স্টেডিয়ামে নতুন বলে দ্বিতীয় ওভারে বোলিং পান জুনাইদ। ওভারের শেষ বলে কানাডার অধিনায়ক দিলপ্রিত বাজওয়াকে ফিরিয়ে প্রথম শিকার ধরেন তিনি। নিজের পরের ওভারে ফেরান ইউভরাজ সামরাকে।
এই দুই ওভারে তিনি দেন ১৭ রান।
বোলিংয়ে ফেরানো হয় তাকে ইনিংসের অষ্টাদশ ওভারে। এবার স্রেফ ৪ রান দিয়ে কানাডার সর্বোচ্চ ৫০ রান করা হার্শ ঠাকেরকে বিদায় করেন তিনি। শেষ ওভারে আরও দুই ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে পূর্ণ করেন পাঁচ উইকেট।
আরব আমিরাতের হয়ে এর আগে পাঁচবার ম্যাচে ৪ উইকেট পেয়েছিলেন জুনাইদ। অবশেষে ফুরাল পাঁচ উইকেটের অপেক্ষা।
এই সংস্করণে তৃতীয়বার ও বিশ্বকাপে প্রথমবার ম্যাচ-সেরার পুরস্কার নিয়ে ৩৩ বছর বয়সী পেসার তুলে ধরলেন বোলিংয়ের পরিকল্পনা।
“পিচ ভালো ছিল। এই কন্ডিশনে কীভাবে বল করতে হয়, তা নিয়ে আমাদের কোচদের সঙ্গে কাজ করেছি আমরা। আমি হার্ড লেংথে বল করতে চেয়েছি এবং স্লোয়ার বলের সঙ্গে সমন্বয় করার চেষ্টা করেছি। কিছু দ্রুতগতির বল করার চেষ্টা করেছি এবং তারপর আমার সেরা স্লোয়ার বলগুলো কাজে লাগিয়েছি।”