স্পিনিং উইকেটের ব্যাখ্যায় মাহমুদউল্লাহ

সহায়ক উইকেট পেলে শ্রীলঙ্কান স্পিনাররা কি করতে পারে ভালো করেই জানত বাংলাদেশ। তবুও ব্যাটসম্যানদের ওপর আস্থা রেখে ঢাকা টেস্টে টার্নিং উইকেটের ঝুঁকিটা নিয়েছিল স্বাগতিকরা। দুই ইনিংসেই ব্যাটিং ব্যর্থতায় বড় হারে দিতে হলো তার মাশুল।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 10 Feb 2018, 11:38 AM
Updated : 10 Feb 2018, 02:09 PM

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার ২৩৫ রানে ঢাকা টেস্ট হারে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে ১-০ ব্যবধানে সিরিজ হারে স্বাগতিকরা।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদউল্লাহ জানান, চট্টগ্রাম টেস্টে ব্যাটসম্যানদের পারফরম্যান্স দেখে ঝুঁকিটা নিয়েছিলেন তারা। 

“ক্রিকেট খেলা তো একটা বাজির মতো। আমরা জানতাম যে, ওদের স্পিন বিভাগ খুব ভালো। জানতাম আমাদের ব্যাটসম্যানদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে। কিন্তু আমরা ব্যাটসম্যানদের উপর ভরসা রেখেছিলাম।”

“আপনি যদি চট্টগ্রাম টেস্টের কথা ধরেন, ওখানে উইকেট ব্যাটিং সহায়ক ছিল, আমাদের ব্যাটসম্যানরা ভালো ব্যাটিং করেছে। এজন্যই এখানে আমরা চাচ্ছিলাম, উইকেটটা স্পিন সহায়ক হোক। আমাদের ব্যাটসম্যানদের উপর আমরা আস্থা রাখি। একই সঙ্গে স্পিনারদের উপরও আস্থা রাখি। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ব্যাটসম্যানরা ভালো পারফর্ম করতে পারেনি।”

চোটের জন্য নেই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব। ব্যাটিং, স্পিন বোলিং দুই বিভাগেই কমে শক্তি। তারপরও এমন ঝুঁকি নিতে হল কেন?

“আমার মনে হয়, (এগিয়ে যেতে হলে) এই ধরনের বাজিগুলো ধরতেই হবে। না হলে এভাবে টেস্ট ক্রিকেট খেলে কোনো লাভ নেই। নিষ্প্রাণ উইকেটে খেলল আমার মনে হয় না, আমাদের ক্রিকেট এগোবে। (ঝুঁকি নিলে) সাফল্য আসবে, ব্যর্থতা আসবে। সাফল্য আপনাকে আত্মবিশ্বাস দেবে, আমাদের আরও উন্নতিও হবে।”

  “আমরা জানতাম, এখানে ফল হবে, স্পিনিং উইকেট হবে। আমার বিশ্বাস, আমাদের সামর্থ্য আছে কিন্তু করে দেখা পারিনি। মাঠে স্কিলটা দেখাতে পারিনি। যেদিন আমরা স্কিলটা দেখাত পারব, ভালো ফল দেখবেন।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক