১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশে টানা ২ শূন্যের পর জিম্বাবুয়েতে রেনশর সেঞ্চুরি

ম্যাট রেনশর দারুণ ব্যাটিংয়ে অবসান ঘটল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘ এক অপেক্ষার।

বাংলাদেশে টানা ২ শূন্যের পর জিম্বাবুয়েতে রেনশর সেঞ্চুরি
সেঞ্চুরি ছুঁয়ে ম্যাট রেনশ। ছবি: অস্ট্রেলিয়ান মেন'স টিম ফেইসবুক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 15 Sep 2026, 08:00 PM

Updated : 17 Sep 2026, 03:00 AM

ওয়ানডেতে খারাপ সময় পেছনে ফেলে জ্বলে উঠলেন ম্যাট রেনশ। বাংলাদেশের বিপক্ষে সবশেষ দুই ম্যাচে রানের খাতা খুলতে না পারা অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান এবার উপহার দিলেন সেঞ্চুরি। আর এতে অবসান ঘটল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘ এক অপেক্ষার।

হারারেতে মঙ্গলবার ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ১০৯ রান করেন রেনশ। তার ৯৪ বলের ইনিংসটি সাজানো তিনটি ছক্কা ও সাতটি চারে।

গত বছর ওয়ানডে অভিষেকের পর, দশম ম্যাচে এসে তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া পেলেন ৩০ বছর বয়সী রেনশ। এই সংস্করণে তার আগের সেরা ছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডিতে ৬১। ভারতের বিপক্ষে একটি ৫৬ রানের ইনিংস আছে তার।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২২ বছর পর ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করলেন অস্ট্রেলিয়ার কোনো ব্যাটসম্যান। আফ্রিকার দলটির বিপক্ষে তাদের আগের সেঞ্চুরিটি ছিল মাইকেল ক্লার্কের। ২০০৪ সালে হারারেতেই রান তাড়ায় ১০৫ রান করে দলের জয় সঙ্গে নিয়ে ফেরেন ক্লার্ক।

ক্লার্কের শতকটি ছিল ইনিংস শুরু করতে নেমে। আর রেনশ এদিন সেঞ্চুরি করলেন ছয়ে নেমে। ওয়ানডেতে ছয় নম্বর বা তার নিচে ব্যাটিংয়ে নেমে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই প্রথম সেঞ্চুরি করলেন অস্ট্রেলিয়ার কেউ।

এই সংস্করণে ছয় বা তার নিচে অস্ট্রেলিয়ার কারো সেঞ্চুরি দেখা গিয়েছিল তিন বছর আগে। ২০২৩ সালে বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিপক্ষে লক্ষ্য তাড়ায় ছয়ে নেমে অতিমানবীয় ব্যাটিংয়ে ২০১ রানের ইনিংস খেলে দলকে জেতান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।

ওয়ানডেতে এর আগের চারটি ইনিংসে দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি রেনশ। গত জুনে লাহোরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৪ রানের পর, ওই মাসেই বাংলাদেশ সফরে তিন ম্যাচে করেন ২, ০ ও ০। ঘুরে দাঁড়িয়ে এবার পেয়ে গেলেন সেঞ্চুরি।

ফিফটি করে ১৮তম ওভারে যখন বিদায় নেন কুপার কনোলি, তখন ক্রিজে যান রেনশ। শুরুতে কিছুটা ধীরলয়ে এগোন তিনি। পরে টানা দুই ওভারে ব্রায়ান বেনেট ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজাকে একটি করে ছক্কা মারেন। কয়েক ওভার পর মাসাকাদজাকে ছক্কায় উড়িয়ে ৫৫ বলে ফিফটিতে পা রাখেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।

রানের গতিতে কিছুটা দম দিয়ে ৮৬ বলে কাঙ্ক্ষিত তিন অঙ্কের উষ্ণ ঠিকানায় পা রাখেন রেনশ। পঞ্চাশ থেকে শতক ছুঁতে তার লাগে ৩১ বল।

ইনিংসের শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কার চেষ্টায় ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন রেনশ। তাকে ফিরিয়ে প্রথমবার পাঁচ উইকেটের স্বাদ পান সপ্তম ওয়ানডে খেলতে নামা জিম্বাবুয়ের পেসার নিউম্যান নিয়ামুরি।

রেনশর সেঞ্চুরি, কনোলির ফিফটি ও বাকিদের অবদানে ৮ উইকেটে ২৯৪ রান করে অস্ট্রেলিয়া।