Published : 05 Aug 2026, 06:45 PM
বাংলাদেশ দলের জন্য কঠিনতম গন্তব্যের একটি দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশটিতে সাফল্যের পথ খুঁজছে বাংলাদেশ। জাতীয় দলের নভেম্বরের সফরের আগে ইমার্জিং দল খেলছে সেখানে, যাচ্ছে ‘এ’ দলও। অভিজ্ঞ কোচ মিজানুর রহমান আশাবাদী, এসব অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে আন্তর্জাতিক ম্যাচগুলোতে।
তিন সংস্করণ মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় এখন পর্যন্ত স্বাগতিকদের বিপক্ষে ২৫টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ, এর একটিতে ফল হয়নি। বাকি ম্যাচগুলোতে বাংলাদেশের জয় কেবল দুটি। ২০২২ সালে সেঞ্চুরিয়নে দু্টি ওয়ানডে জেতে বাংলাদেশ। সেই সুবাদে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথমবারের মতো জেতে কোনো সিরিজ।
এবার বাংলাদেশের লক্ষ্য আরও বড়। দেশের বাইরেও এখন টেস্ট সিরিজ জিততে চায় তারা। লক্ষ্য পূরণের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকায় লাল বলে রান করার ও উইকেট নেওয়ার পথের সন্ধানে আছে বাংলাদেশ।
দক্ষিণ আফ্রিকা ইমার্জিং দলের বিপক্ষে দুটি চার দিনের ম্যাচ খেলতে মঙ্গলবার রওনা হবে ‘এ’ দল। ঘরোয়া ক্রিকেট মৌসুম শেষ হওয়ার পরই এই সফর ঘিরে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রস্তুতি নিচ্ছেন ক্রিকেটাররা। বুধবার অনুশীলন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত ধারণা দিলেন প্রধান কোচ মিজানুর।
“আমরা প্রতিদিন ওই (ইমার্জিং দলের) ম্যাচগুলো দেখি। ‘বল টু বল’ দেখার চেষ্টা করি। ছেলেদেরও (ক্রিকেটাররা) লিঙ্ক দিয়ে দেই, যেন তারা খেলাটা দেখে আগে থেকে প্রস্তুতি নিতে পারে।”
দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্যাটসম্যানদের জন্য চ্যালেঞ্জ থাকে বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। এবার সফরের প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ বোলারদের বাউন্সারে নাকাল হয় ইমার্জিং দলের ব্যাটসম্যানরা। এর পুনরাবৃত্তি এড়াতে ক্রিকেটারদের প্রস্তুত করছেন মিজানুর।
“ওখানকার বাউন্স কেমন, বোলাররা কেমন বা কী ধরনের শট খেলা যায় (এর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে)। এটা চ্যালেঞ্জিং সফর হবে।
জাতীয় দলে যারা সম্প্রতি খেলেছে, যেমন সাইফ (হাসান), (মাহমুদুল হাসান) জয় বা অন্য যারা থাকবে, তাদেরকে আবার ভালো পারফর্ম করানোই মূল উদ্দেশ্য থাকবে। বাউন্সি উইকেটে কীভাবে মানিয়ে নেওয়া যায়, সেই চেষ্টা চলছে।”
সাবেক পেসার মিজানুরের কাছে সমান গুরুত্ব পাচ্ছেন বোলাররাও। অনেক সিরিজের জন্য পেসাররা নানা দলে ভাগ হয়ে যাওয়ায় বেশ ঝামেলাতে পড়েছেন তিনি। তবে তিনি আশাবাদী, ইমার্জিং দলের খেলা থেকে অনেক কিছু নিতে পারবেন বোলাররা।
“অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার এতোগুলো পেস বোলার একসাথে সামলানো। ‘এ’ দলের পেসারদের মধ্যে দু-একজন (ইমার্জিং দলের হয়ে) দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলছে। এরপর তারা যোগ দেবে। আশা করি, তারা ওখান থেকে ধারণা নেবে, কোন ধরনের উইকেটে কী বোলিং করা উচিত বা কোন লেংথে বোলিং করলে সাফল্য আসবে।”
আগামী ১৬ অগাস্ট পচেফস্ট্রুমে শুরু হবে ‘এ’ দলের প্রথম চার দিনের ম্যাচ। দ্বিতীয়টি বেনোনিতে আগামী ২৩ অগাস্ট থেকে।