১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

‘আমাকে কেউ বাউন্সার দিলে ছেড়ে কথা বলব না’

আগুনের জবাব আগুন দিয়েই দেবেন, জানিয়ে রাখলেন নাহিদ রানা।

বিডিনিউজ২৪

ক্রীড়া প্রতিবেদক, সিলেট থেকে, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 May 2026, 10:48 AM

Updated : 11 Sep 2026, 03:17 PM

ফাস্ট বোলারসুলভ শরীরী ভাষা খুব একটা নেই নাহিদ রানার। বুনো কিংবা ডাকাবুকো চরিত্রের নন তিনি। তবে মানসিকতায় তিনি আপাদমস্তক ফাস্ট বোলারই। ঠোঁটে এক চিলতে হাসি আর নরম কণ্ঠে বাংলাদেশের তরুণ পেস সেনসেশন জানিয়ে দিলেন, আগুনের জবাব আগুন দিয়েই দেবেন তিনি।

পাকিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্ট শেষেই অবশ্য কথাটি বলেছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। সেটির পেছনেও ছিল একটি ঘটনা।

ওই টেস্টে নাহিদ রানা যখন ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন, তার শরীর তাক করে বাউন্সার করেছিলেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। একজন ফাস্ট বোলারকে তাতিয়ে দেওয়ার জন্য তা যথেষ্ট। পরে শেষ দিন শেষ সেশনে নাহিদের বোলিং তোপে বিধ্বস্ত হয়েছিল পাকিস্তানি ব্যাটিং। আফ্রিদিকে বাউন্সারে আউট করেই বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।

ম্যাচের পর অধিনায়ক শান্ত বলেছিলেন, “রানাকে বাউন্সার মারলে আবার বাউন্সার খেতেও হবে। আমি হলে রানাকে বাউন্সার মারতাম না! কারণ, আমার শখ নেই অত জোরে বাউন্সার খেলার।”

মিরপুরে ম্যাচ জেতানা নাহিদ সিলেটেও দারুণ বোলিংয়ে ভূমিকা রেখেছেন বাংলাদেশকে লিড পেতে। তিন উইকেট শিকারের পর দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে তাকে বলা হলো শান্তর সেই কথাটি। অধিনায়কের সঙ্গে মিলে গেল নাহিদের কথার সুরও।

“বাউন্সার দিতে ভাববে কি না জানি না, তবে এতটুক বলতে পারি, আমাকে কেউ বাউন্সার মারলে আমি তাকে ছেড়ে কথা বলব না… এটা বলতে পারি।”

নাহিদের সঙ্গে এ দিন তিন উইকেট নেন তাইজুল ইসলামও। দুটি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ। তাতে ধরা দেয় ৪৬ রানের লিড।

তবে নাহিদের চোখে এখনও পর্যন্ত ম্যাচের নায়ক লিটন কুমার দাস, প্রথম দিনে ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারানো দলকে ২৭৮ পর্যন্ত নিয়ে গেছে যার দুর্দান্ত শতক।

“আমি বলব আমাদের টার্নিং পয়েন্ট ছিল লিটন দার ব্যাটিং। শেষের দিকে তাইজুল ভাই, তাসকিন ভাই, শরিফুল, তাদের শেষের দিকের ব্যাটিংও ভালো ছিল। কারণ, বোলিং তো আমরা ভালো করছি, কিন্তু যদি লিটন দার ব্যাটিংয়ে শতরান না হতো, আমরা ব্যাকফুটে থাকতাম। আমি মনে করি, তার সেঞ্চুরিই টার্নিং পয়েন্ট ছিল।”