নভেম্বরের পর কোভিড টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ বন্ধ

নভেম্বরের পর শুধু বুস্টার বা তৃতীয় ডোজ দেওয়ার কর্মসূচি চলবে।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 26 July 2022, 08:49 AM
Updated : 26 July 2022, 08:49 AM

আগামী নভেম্বরের পর দেশে আর কাউকে সরকারিভাবে করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে না।

এরপর থেকে শুধু বুস্টার বা তৃতীয় ডোজ দেওয়ার কর্মসূচি চলবে বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচিরর প্রধান ডা.সামসুল হক মঙ্গলবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার জন্য সরকারের হাতে যে টিকা আছে, তার মেয়াদ শেষ হবে নভেম্বরে।

“নভেম্বরের পর আমাদের হাতে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের জন্য টিকা থাকছে না। আমাদের হাতে এখনও বুস্টার ডোজের জন্য প্রচুর টিকা আছে। আরও টিকা আনার ব্যবস্থা করা আছে। এ কারণে নভেম্বরের পর আমরা শুধু বুস্টার ডোজ দেব। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা থাকবে না।”

ডা. শামসুল হক জানান, এ পর্যন্ত ৩০ কোটি ডোজের বেশি টিকা সংগ্রহ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজ মিলিয়ে টিকা দেওয়া হয়েছে ২৮ কোটি ৮৫ লাখ ডোজ। স্বাস্থ্য বিভাগের হাতে এখন টিকা আছে ১ কোটি ৯৩ লাখ ডোজ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১৩ কোটি ২৯ লাখ মানুষকে করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার লক্ষ্য ঠিক করেছিল। সেখানে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১২ কোটি ৯৬ লাখ মানুষ।

অর্থাৎ, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৩ লাখ কম মানুষ প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছেন। প্রথম ডোজ নিয়েছেন, কিন্তু দ্বিতীয় ডোজ নেননি- এমন মানুষের সংখ্যা ৯৪ লাখ।

শামসুল হক বলেন, “এক কোটি ২৭ লাখ মানুষ প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেননি। এই সংখ্যক টিকা স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে মজুত আছে। এই এক কোটি ২৭ লাখ মানুষ যে টিকা পাবে সেই টিকার মেয়াদ আছে আগামী নভেম্বর পর্যন্ত।

“আমরা বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। সে কারণে বলতে চাই, যারা প্রথম ডোজ গ্রহণ করেন নাই তারা দ্রুত প্রথম ডোজ নিয়ে নিন। এক মাস পর অবশ্যই দ্বিতীয় ডোজ নেন।”

শামসুল হক জানান, প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষ করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম নিচ্ছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, সোমবার পর্যন্ত ১২ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজারের বেশি মানুষ করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন। দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন ১২ কোটি তিন লাখ ২৪ হাজার মানুষ। আর বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ৩ কোটি ৮৮ লাখ ১৭ হাজারের বেশি মানুষ।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক