০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

তৌহিদুল আলমকে এমডি করতে চায় ন্যাশনাল ব্যাংক

পর্ষদের সম্মতির পর তার নিয়োগ অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠিয়েছে ব্যাংকটি।

শেখ আবু তালেব

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Jan 2024, 01:33 AM

Updated : 11 Jan 2024, 01:33 AM

ঋণ অনিয়মে জেরবার ন্যাশনাল ব্যাংক নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তৌহিদুল আলম খানকে নিয়োগ দিতে চায়। 

পর্ষদের সম্মতির পর প্রিমিয়ার ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক তৌহিদুলের নিয়োগ অনুমোদনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করেছে ব্যাংকটি। 

নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদন দিলেই তার নিয়োগ কার্যকর হবে। ন্যাশনাল ব্যাংকের আবেদন পেয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিয়োগ দিতে কমিটি গঠন করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 

এ বিষয়ে ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান সৈয়দ ফরহাদ আনোয়ার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, পর্ষদের সদস্যদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। 

যোগাযোগ করা হলে তৌহিদুল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘‘এ বিষয়ে আমি এখন কিছু বলতে চাচ্ছি না।’’ 

ঋণে নিয়মাচার ও বিধি-বিধান লঙ্ঘন করে ঋণ অনুমোদনসহ ডজন খানেক অভিযোগে গত ২১ ডিসেম্বর ন্যাশনাল ব্যাংকের পর্ষদ বাতিল করে স্বতন্ত্র পরিচালকদের সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন পর্ষদ নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। 

নতুন নিয়োগ পাওয়া স্বতন্ত্র পরিচালকদের মধ্যে থেকে ড. সৈয়দ ফরহাদ আনোয়ারকে চেয়ারম্যান করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পর্ষদ ঠিক করে দিয়েছিল। 

নতুন পর্ষদ দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ৩০ ডিসেম্বর নতুন পর্ষদের প্রথম বৈঠকে তৌহিদুলকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। 

বর্তমানে ন্যাশনাল ব্যাংক চলছে ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিয়ে। সর্বশেষ ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন মেহমুদ হোসেন। উপব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ আখতার উদ্দিন আহমেদকে ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক করে চলছে ব্যাংকটি। 

আগের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদত্যাগ করার পরে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে নিয়োগ পান তিনি। গত ৮ ডিসেম্বর তার মেয়াদ শেষ হয়। বয়সজনিত কারণে তাকে পুনরায় নিয়োগ দিতে পারছে না ব্যাংক। 

দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ঋণ অনিয়মের প্রতিবাদ করে গত ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে পদত্যাগ করেছিলেন একাধিক ব্যাংকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা মেহমুদ হোসেন। 

তার পদত্যাগের বিষয়টি সামনে এলে সেটি গ্রহণ না করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়। তখন ন্যাশনাল ব্যাংকের ঋণ বিতরণও সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।