এলডিসি পরবর্তী যুগ নিয়ে আলোচনা: ‘কিছু ওষুধের দাম বেড়ে যাবে’
“এলডিসি উত্তরণের পর কোথায় কোথায় চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, সে বিষয়ে প্রস্তুতি দরকার,” বলেন ইআরডি সচিব শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী।
স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে ওঠার পর দেশে কিছু ওষুধের দাম ১০ শতাংশের বেশি বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা উঠে এসেছে এক আলোচনা সভায়।
এ ক্ষেত্রে ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের মতো ব্যাধির ওষুধের দাম সবচেয়ে বেশি বাড়তে পারে বলে বক্তারা অভিমত তুলে ধরেন।
সোমবার মতিঝিলের ডিসিসিআই মিলনায়তনে ‘এলডিসি থেকে উত্তরণের পর শিল্পখাতের পরিবর্তন ও মেধাস্বত্ব বিষয়খ কৌশল’ শিরোনামে এ আলোচনা হয়।
সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), সাপোর্ট টু সাসটেইনেবল গ্র্যাজুয়েশন প্রজেক্ট (এসএসজিপি) ও ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আইপি আইন বিভাগের গবেষক মোহাম্মদ আতাউল করিম, “দেশীয় বাজারে প্রচলিত ওষুধের ১০ থেকে ২০ শতাংশ বিদেশিদের কাছ থেকে প্যাটেন্ট নেওয়া। এলডিসি পরবর্তী সময়ে ভবিষ্যতে এই ওষুধের দর সবচেয়ে বেশি বাড়বে।
“ওষুধের মূল্য ১০ শতাংশের বেশি বাড়বে। তবে সবচেয়ে বেশি বাড়বে ক্যান্সার ও ডায়বেটিসের মতো আবশ্যকীয় সব ওষুধের দাম।’’
ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘‘এলডিসি উত্তরণের পর কী কী সুবিধা থাকবে এবং কোথায় চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তুতি দরকার।’’
তিনি বলেন, “সরকারের করণীয় নির্ধারণের পাশাপাশি বেসরকারি খাতেরও করণীয় নির্ধারণ করা হচ্ছে।’’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ, ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন, সাবেক সচিব আবদুল বাকী ও বিজিএমইএর সেক্রেটারি জেনারেল শাহেদুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।
