২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

প্রায় শতভাগ কারখানায় বেতন-বোনাস পরিশোধ: বিজিএমইএ

৬৪ শতাংশ কারখানা মার্চ মাসের আংশিক বেতন দিয়েছে, বলা হয় সংবাদ সম্মেলনে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 Mar 2026, 04:48 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:11 PM

রোজার ঈদ সামনে রেখে দেশের  প্রায় শতভাগ কারখানায় শ্রমিকদের বেতন-বোনাস হয়ে যাওয়ার তথ্য দিয়েছে বিজিএমইএ।

পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের এ সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, তাদের সদস্যপদ থাকা ৯৯ দশমিক ৮১ শতাংশ কারখানায় ঈদের বোনাস হয়ে গেছে। আর ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন দিয়েছে ৯৯ দশমিক ৯১ শতাংশ কারখানা। 

বুধবার ঢাকার উত্তরায় বিজিএমইএ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসে  পোশাক খাতের কারখানাগুলোর বেতন-বোনাসের তথ্য তুলে ধরেন তিনি। 

মাহমুদ হাসান বলেন, “মোট ১ হাজার ৭৮৩ টি কারখানা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধ করেছে।”

দুটি কারখানা বেতন পরিশোধ করতে পারেনি তুলে ধরে তিনি বলেন," একটির রপ্তানি বিল গত ১৭ মার্চ আসার কথা ছিল। কিন্তু সেটি আসেনি, ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা চলছে বিকল্পভাবে বিল জমা নিয়ে অর্থের সংস্থান করার।"

ঈদের আগেই তা সমাধান হবে বলে মনে করেন তিনি।

আরেকটি কারখানার ৮০ জন কর্মচারী রয়েছেন। সেখানেও সমস্যা কেটে যাবে মন্তব্য করে মাহমুদ হাসান বলেন, সদস্য কারখানার ১ হাজার ৭৮১টি ঈদ বোনাস দিয়ে দিয়েছে।

চারটি কারখানা ঈদের বোনাস দিতে পারেনি

মোট কারখানার ৬৪ শতাংশ মার্চ মাসের আংশিক বেতন দিয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়।

ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ ঋণ হিসেবে ব্যাংক থেকে পাওয়া ও প্রণোদনার বকেয়া থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকার নগদ ছাড় করায় বেতন বোনাস দেওয়া সম্ভব হয় বলে জানান মাহমুদ হাসান।

আগে ঈদের সময়ে  প্রণোদনার ২ থেকে ৩ মাসের অর্থ পরিশোধ করা হলেও এবার  ৫ মাসের দেওয়া হয়ে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান বিজিএমইএ সভাপতি।

পোশাক খাতের ব্যবসায়ী এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। টিআইবি এটাকে স্বার্থের দ্বন্দ্ব হিসেবে দাবি করে গভর্নরের পদত্যাগ দাবি করেছে।

এটা স্বার্থের দ্বন্দ্ব কি না, সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্নে হাসান মাহমুদ বলেন, “দায়িত্ব নেওয়ার সাত দিনের মধ্যে টিআইবির মতো প্রতিষ্ঠানের বিবৃতি দেওয়া সমীচীন নয়। তাকে পারফর্ম করতে না দিয়ে, পারফর্ম করার আগেই কথা বলা সমীচীন নয়।"

গভর্নরের কাছে  আইন অনুযায়ী সব কিছু করার আহ্বান জানান তিনি।

ঈদ এলেই কেন বেতন বোনাস নিয়ে অনিশ্চয়তা ও  সরকারের কাছে ঋণ চাইতে হবে, এমন প্রশ্নে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, গত ৮ মাস রপ্তানি প্রবৃদ্ধি কম হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে সংসদ নির্বাচনের জন্য  কর্মদিবস কম ছিল, এ কারণে অর্থ সংকট দেখা দেয়।"

ঋণ না পেলে দেড় শতাধিক কারখানা বন্ধ হয়ে যেত বলে উল্লেখ করেন তিনি।