বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়ের শিক্ষায় আরও গুরুত্ব দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি
“তারা যাতে কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে,” বলেন তিনি।
দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ছেলেমেয়ের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, “তারা যাতে কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে। এ ক্ষেত্রে সম্প্রদায়ের শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।”
বঙ্গভবনে বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ও ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের মহাধ্যক্ষ শ্রীসদ্ধম্মসাসনধ্বজ বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরের নেতৃত্বে নয় সদস্যের প্রতিনিধিদল সাক্ষাতে এলে রাষ্ট্রপতি একথা বলেন।
সাক্ষাতে প্রতিনিধিদল বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন বলে রাষ্ট্রপতির দপ্তর জানিয়েছে।
রাষ্ট্রপতি তাদের বলেন, “সকল সম্প্রদায়ের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং বৈষম্য দূর করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা গেলে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবিদাওয়া যথাযথভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরা সহজ হবে।”
আগামী নভেম্বরে কমলাপুরের ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে হতে যাওয়া কঠিন চীবরদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানানো হয় সাক্ষাতে। রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তাদের আশ্বস্ত করেন।
সাক্ষাতে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার ছিলেন।
এছাড়া বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি পার্থ প্রতিম বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সহ-সভাপতি ও সাবেক যুগ্ম সচিব রণজিৎ কুমার বড়ুয়া, জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ফোরামের সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য দিলীপ কুমার বড়ুয়া, বাসাবো ধর্মরাজিক মহাবিহারের উপাধ্যক্ষ সুমিত্তানন্দ ভিক্ষু (অনুপম বড়ুয়া) ও রীটন কান্তি বড়ুয়া (স্বরূপানন্দ ভিক্ষু) উপস্থিত ছিলেন।
উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ
বঙ্গভবনে বুধবার উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা এবং উপাচার্য অধ্যাপক ইয়াসমীন আরা লেখার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়টির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।
সাক্ষাতে উপাচার্য ইয়াসমীন আরা রাষ্ট্রপতিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন। বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা ও সমস্যার বিষয়েও রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।
