২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

চিকিৎসক বুলবুল হত্যা: ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য

২০২২ সালের ২৭ মার্চ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত হন দন্ত চিকিৎসক আহমেদ মাহী বুলবুল।

চিকিৎসক বুলবুল হত্যা: ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য

সিসি ক্যামেরায় দেখা এই দুই ব্যক্তি ডা. আহমেদ মাহী বুলবুলকে ছুরি মারার পর পালিয়ে যায়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 27 Sep 2026, 02:50 PM

Updated : 27 Sep 2026, 02:50 PM

রাজধানীর মিরপুরে দন্ত চিকিৎসক আহমেদ মাহী বুলবুল হত্যা মামলায় ঢাকার তৎকালীন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শেখ সাদী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

তিনি বর্তমানে কিশোরগঞ্জের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতে দায়িত্ব পালন করছেন।

রোববার তিনি ঢাকার ১৩তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জাহিদুল ইসলামের আদালতে সাক্ষ্য দেন।

এ মামলার পাঁচ আসামির মধ্যে রাসেল হোসেনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেছিলেন শেখ সাদী। সে বিষয়েই তিনি সাক্ষ্য দেন।

এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন। জেরা শেষে আগামী ১ নভেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী দিন রাখা হয়েছে বলে আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহেল মিয়া জানান।

এ মামলার ২৩ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৬ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

২০২২ সালের ২৭ মার্চ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত হন দন্ত চিকিৎসক আহমেদ মাহী বুলবুল।

এ ঘটনায় তার স্ত্রী শাম্মী আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে ওইদিনই মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন পাঁচজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

আসামিরা হলেন– মো. রায়হান ওরফে সোহেল আপন, রাসেল হোসেন হাওলাদার, আরিয়ান খান হৃদয়, সোলায়মান ও রিপন। তারা সবাই কারাগারে আছেন।

অবিযোগপত্রে বলা হয়, আহমেদ মাহী বুলবুল দন্ত চিকিৎসক ও প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার ছিলেন। তিনি ঠিকাদারির কাজে নোয়াখালী যাওয়ার জন্য ২৭ মার্চ ভোর সোয়া ৫টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে রিকশায় শেওড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ডে রওনা হন।

পশ্চিম কাজীপাড়ার নাভানা ফার্নিচার শোরুমের সামনে প্রধান সড়কের ওপর পৌঁছালে আসামি রিপন ও রাসেল রিকশাটির গতিরোধ করে তার কাছে যা যা আছে তা দিয়ে দিতে বলে। না দিলে সঙ্গে থাকা ছুরি দিয়ে আঘাত করার ভয় দেখায়।

বুলবুল মোবাইল ফোন দিতে না চাওয়ায় রিপন তার ঊরুতে আঘাত করে জখম করে মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। এসময় বুলবুল গুরুতর জখম অবস্থায় রাস্তায় পড়ে যান। ছিনতাইকারীরা চিকিৎসক বুলবুলের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া মোবাইল ফোন ১৫০০ টাকায় বিক্রি করে। পরে তা পাঁচ ছিনতাইকারী ভাগ করে নেয়।

২০২৩ সালের ২৬ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে এ মামলার বিচার শুরু হয়।