২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

কার্ডের মাধ্যমে ওএমএসের পণ্য বিক্রির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ওএমএস কর্মসূচিতে অব্যবস্থাপনার তথ্য নজরে আসায় সরকারপ্রধানের এ নির্দেশনা।

কার্ডের মাধ্যমে ওএমএসের পণ্য বিক্রির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ফাইল ছবি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Feb 2023, 07:26 PM

Updated : 28 Feb 2023, 03:30 PM

খোলাবাজারে চাল, আটার মত জরুরি খাদ্যপণ্য বিক্রির ওএমএস কার্যক্রমে ব্যবস্থাপনার ঘাটতি নজরে পড়ায় কার্ডের মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালনা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই নির্দেশনা দেন সরকারপ্রধান। পরে বিকালে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সাংবাদিকদের সামনে বৈঠকের বিস্তারিত তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন।

তিনি বলেন, “সরকারের তরফ থেকে ওএমএস যেটা আমরা করি, চলমান আছে, মাঝে মাঝে যে ব্যবস্থাপনা আছে, সে ব্যবস্থাপনার কিছুটা ঘাটতি সরকারের নজরে আসছে।

“এই কাজটা করতে গিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। এই ব্যবস্থাপনার ঘাটতির বিষয়টি উন্নতি করতে হবে। টিসিবির মাধ্যমে কার্ডে প্রায় এক কোটি পরিবারকে খাদ্যপণ্য দেওয়া হচ্ছে। ওএমএসটাও যেন কার্ডের মাধ্যমে দেয়া হয়, যাতে লোকজনকে অহেতুক দীর্ঘ ভিড়ের মধ্যে থাকতে না হয়, একটা শৃঙ্খলা আসে, এর জন্য কার্ডের মাধ্যমে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এবং এই ব্যাপারে আমরা সামনে কাজ করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

বর্তমানে ঢাকাসহ সারাদেশে ওএমএস ডিলারের মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে চাল ও আটা বিক্রি করছে টিসিবি। সেখানে ৩০ টাকা দরে একজন সর্বোচ্চ ৫ কেজি চাল এবং প্রতি কেজি ২৪ টাকা দরে সর্বোচ্চ ৩ কেজি আটা কিনতে পারছেন।

কিন্তু ওএমএসের পণ্য কিনতে ক্রেতাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পরও পণ্য না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে অনেককে।

অব্যবস্থাপনাটা কী এবং কারা কার্ড পাবেন, জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “ভিড় হওয়াটা ব্যবস্থাপনার ঘাটতি নয়। অন্য খাদ্য কর্মসূচির মধ্যে যারা যুক্ত আছেন, তারা আসবে কি না এগুলো আমরা বসে পরে ঠিক করব।”

বাজারের অস্বাভাবিক পরিস্থিতি যেন না হয় সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে জানিয়ে মাহবুব হোসেন বলেন, “খাদ্য মজুদদারির বিষয়ে নজরদারির কথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন। এটা আমাদের চলমান কার্যক্রম। অনেক আগে থেকেই এই নির্দেশনা দিয়েছেন। অস্বাভাবিক পরিস্থিতি যাতে সৃষ্টি না করে, সেজন্য জেলার ডিসি, মন্ত্রণালয়ে বলা হয়েছে নজরদারির মধ্যে থাকতে।”