০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

এবারের দুর্গাপূজা ‘অগ্নিপরীক্ষা’: ডিএমপি কমিশনার

প্রতিটি মণ্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনে ডিএমপি ‘সর্বোচ্চ সতর্ক থেকে’ দায়িত্ব পালন করবে, বলেন তিনি।

এবারের দুর্গাপূজা ‘অগ্নিপরীক্ষা’: ডিএমপি কমিশনার

ডিএমপি সদরদপ্তরে মঙ্গলবার দুর্গাপূজার নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভায় কথা বলেন কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 06 Oct 2026, 05:57 PM

Updated : 06 Oct 2026, 05:57 PM

এবারের দুর্গোৎসবকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য ‘অগ্নিপরীক্ষা’ বলে মনে করেন ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেছেন, “বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ের প্রথম হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তাই এবারের এই উৎসব আমাদের জন্য অগ্নিপরীক্ষা।”

ঢাকার প্রতিটি মণ্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনে ডিএমপি ‘সর্বোচ্চ সতর্ক থেকে’ দায়িত্ব পালন করবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার ডিএমপি সদরদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে দুর্গাপূজার নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভায় তিনি একথা বলেন।

পরে ডিএমপির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্গাপূজা চলাকালে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছেন ডিএমপি কমিশনার। পূজামণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিতরা বডিওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারেরর কথাও বলেছেন তিনি।

মোসলেহ্ উদ্দিন বলেন, দুর্গাপূজা চলাকালে পোশাকে ও সাদা পোশাকে পুলিশের পাশাপাশি সোয়াট, ক্রাইসিস রেসপন্স টিম, কুইক রেসপন্স টিম, ক্রাইম সিন ভ্যান ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সবসময় প্রস্তুত থাকবে।

এবারের দুর্গোৎসবে ১০ অক্টোবর হবে মহালয়া। এরপর ১৬ অক্টোবর মহাষষ্ঠী, ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ১৯ অক্টোবর মহাষ্টমী, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমী পালিত হবে।

ডিএমপি সদরদপ্তরের সভায় পূজা উদযাপন পরিষদ নেতাদের উদ্দেশ্যে কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন বলেন, “নিজেদের পুজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিজেদের নিশ্চিত করতে সচেষ্ট থাকতে হবে। পূজা কমিটির সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক ও দর্শনার্থী সবার ওপর নজর রাখতে হবে।”

জরুরি প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ অথবা নিকটস্থ থানায় যোগাযোগ করার অনুরোধও জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার।

সভায় যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস্) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।