১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

রেজিস্ট্যান্স উইক: আহতদের দেখতে যাবেন আন্দোলনকারীরা

“আমরা সরকারকে আহ্বান জানাই, তারা যেন অতিদ্রুত সকল সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা নিশ্চিত করে।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Aug 2024, 11:29 AM

Updated : 26 Aug 2026, 10:16 AM

রেজিস্ট্যান্স উইক কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের দেখতে যাবেন।

শুক্রবার ভোরে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচির কথা জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “আমরা লক্ষ্য করছি যে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত ছাত্র-জনতার যথাযথ চিকিৎসার জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

“আমরা সরকারকে আহ্বান জানাই, তারা যেন অতিদ্রুত সকল সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা নিশ্চিত করে।”

আহতদের দেখতে যাওয়ার কর্মসূচি সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “আমরা নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে আহতদের দেখতে যাব, তাদের অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও উপস্থাপন করব এবং সিভিল সার্জনদের সাথে আলোচনা করে আহতদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তাদের অবহিত করব।”

এই কর্মসূচি সফল করার জন্য সকল ছাত্র-জনতার সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হয় বিজ্ঞপ্ততিতে।

সরকার পতনের পর ‘আওয়ামী লীগের প্রতিবিপ্লব’ ঠেকাতে চার দফা দাবি নিয়ে মঙ্গলবার থেকে 'রেজিস্ট্যান্স উইক' কর্মসূচি পালন করছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের দেখতে যাওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

শুক্রবারের কর্মসূচির বিষয়ে জানতে আবু বাকের মজুমদারসহ কয়েকজন সমন্বয়ককে ফোন করা হলেও তারা কেউই কল রিসিভ করেনি। 

আন্দোলনকারীদের ৪ দফা দাবি হল-

১. ফ্যাসিবাদী কাঠামোকে ব্যবহার করে যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, সেগুলোর দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে।

২. সংখ্যালঘুদের উপর আওয়ামী লীগ ও চৌদ্দ দলসহ যারা পরিকল্পিত ডাকাতি ও লুণ্ঠনের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানকে বিতর্কিত করার প্রচেষ্টায় যারা অংশগ্রহণ করেছে, তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

৩. প্রশাসন ও বিচার বিভাগে যারা ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে হামলা, মামলা এবং হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দিয়েছে এবং ফ্যাসিবাদ বারংবার কায়েমের চেষ্টা করেছে, তাদের দ্রুততম সময়ে অপসারণ ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে ।

৪. প্রশাসন ও বিচার বিভাগে যারা এতদিন বৈষম্যের শিকার হয়েছে, তাদের জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।