ট্রাইব্যুনালে ‘বস্তায় বস্তায় লেনদেন’: ব্যাখ্যা দিতে সময় পেলেন এবি পার্টির ফুয়াদ
তাকে তলব করে ১ নভেম্বর নোটিস দিয়েছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ‘বস্তায় বস্তায় লেনদেনের’ মন্তব্য করার ঘটনায় আদালত অবমাননার অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় পেয়েছেন আমার বাংলাদেশ পার্টি বা এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
বুধবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ দিন ধার্য করেন।
প্যানেলের অপর সদস্য হলেন মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
ট্রাইব্যুনালের আদেশের পর ফুয়াদের আইনজীবী জুবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, গত ২৯ অক্টোবর থেকে প্রচণ্ড জ্বরে ভুগছিলেন আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। পরে পরীক্ষায় তার ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। এরপর থেকে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এই আইনজীবী বলেন, আদালতের কাছে ৩০ দিন সময় চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। আদালত ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছেন।
আদালতের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবি পার্টির নেতা ফুয়াদ জবাব দিতে হাজির হবেন বলে জুবায়ের আহমেদ আশা করছেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে গত ১ নভেম্বর স্বপ্রণোদিত হয়ে আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে তলব করে ট্রাইব্যুনাল-১।
৪ নভেম্বর সশরীরে হাজির হয়ে ওই বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয় তাকে।
আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম বলেছিলেন, এবি পার্টির একটি অনুষ্ঠানে ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ফুয়াদ বলেছিলেন, ‘এইখানে বস্তায় বস্তায় লেনদেন হচ্ছে’। এ বক্তব্য ট্রাইব্যুনালের নজরে এলে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে তাকে তলব করে আদালত অবমাননার নোটিস জারি করে।
গত ২৮ অক্টোবর রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘বছর পেরিয়ে জুলাই সনদ: প্রতিশ্রুতি বনাম বাস্তবতা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় ওই মন্তব্য করেন আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
সেখানে তিনি বলেন, “আইসিটির কোনো বিচারের নামও আপনারা পাবেন না এখন। এই সরকার আসার পরে, চিফ প্রসিকিউটর চেঞ্জ হওয়ার পরে। এবং দেখবেন যারা গ্রেপ্তার আছে, তাদের কারও বিচারের মামলা আগায় না। ফাঁসি হয় যে পলাতক, তার মামলাটার। এখানে লেনদেন হচ্ছে, কোটিতে কোটিতে লেনদেন হচ্ছে, বস্তা ভরে ভরে লেনদেন হচ্ছে।”
