Published : 13 Oct 2025, 06:00 PM
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক আহসান হাবিব ভূঁইয়াকে বনানী থানার নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন নাকচ করে দিয়েছে আদালত।
সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর ওয়াহিদুজ্জামান আবেদনটি নাকচ করে দেন।
এর আগে গুলশান থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের এক মামলায় জামিন পান আহসান হাবিব।
এই দুটির বাইরে আর কোনো মামলা না থাকায় তার মুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
গত ৪ অক্টোবর ভোরে গুলশানের একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পর ওইদিনই আহসান হাবিবকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরের দিন আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর ৮ অক্টোবর তার জামিনের আদেশ হয়।
জামিনের আদেশের পরই আহসান হাবিব ভূঁইয়াকে বনানী থানার আরেকটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কামাল হোসেন।
আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন সোমবার ধার্য করেন। এদিন শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।
আহসান হাবিব ভূঁইয়ার আইনজীবী ওমর ফারুক দাবি করেন, তিনি একজন জুলাই যোদ্ধা। আন্দোলনে তার সক্রিয় ভূমিকা ছিল।
প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই মোক্তার হোসেন বলেন, শুনানিতে গ্রেপ্তার দেখানোর মত সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না পাওয়ায় আদালত আবেদন নাকচ করে দেয়।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার গুলশান থানার এক মামলায় তার জামিন হয়। ওইদিন আইনজীবীদের দাখিল করা জামিননামার সঙ্গে বনানী থানার মামলায় ‘প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট’ (হাজতী পরোয়ানা) পাঠানো হয়। আজ আদালত তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন নামঞ্জুর করেন। ‘প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট’ বাতিল হলেই তিনি কারামুক্ত হবেন।
গুলশান থানার মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ১২ সেপ্টেম্বর দুপুরে গুলশানের ফজলে রাব্বী পার্কের পাশে ‘নিষিদ্ধঘোষিত’ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ব্যানার হাতে উসকানিমূলক স্লোগান দেন। তারা গাড়ি ভাঙচুরের চেষ্টা করে জনমনে ভীতির সঞ্চার করেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় পাঁচজন গ্রেপ্তার হন। তাদের মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা গেছে, আসামিরা রাষ্ট্রকে ‘অস্থিতিশীল’ ও রাষ্ট্র অবকাঠামোকে ‘ধ্বংস করার’ প্রচারণা চালাচ্ছে।
গুলশান থানার এসআই মাহাবুব হোসাইন সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করেন গত ১৩ সেপ্টেম্বর।
বনানী থানায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় বলা হয়, গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বনানীতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। তারা নাশকতা করার চেষ্টা করেন।