১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে ২০২৮ সালে: উপদেষ্টা জাহেদ

“চীনের সিএমইসি গ্রুপ আমিনবাজারে একটি বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বিনিয়োগ করবে।”

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হবে ২০২৮ সালে: উপদেষ্টা জাহেদ
সরকারের কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি তুলে ধরতে সচিবালয়ের সংবাদ সম্মেলনে আসেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 14 Jul 2026, 04:37 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:39 PM

ঢাকার বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ২০২৮ সালে জাতীয় গ্রিডে ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

সরকারের কর্মকাণ্ডের অগ্রগতি জানাতে মঙ্গলবার তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আমিনবাজার এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মাতুয়াইল এলাকায় বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দুটি প্রকল্প নিয়ে বৈঠক করেছেন। 

“রোববার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে জানানো হয়, চীনের সিএমইসি গ্রুপ আমিনবাজারে একটি বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে বিনিয়োগ করবে।”

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, “প্রকল্পটির মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার টন বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করে ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। ২০২৮ সালের অগাস্টে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই কেন্দ্র থেকে টানা ২৫ বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে।”

নগর পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন জাহেদ উর রহমান।

তিন বলেন, “ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ‘ক্লিন কেয়ার’ নামে একটি ডিজিটাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা চালু করেছে।”

মঙ্গলবার নগর ভবনের অডিটোরিয়ামে ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাপটি উদ্বোধন করেন তুলে ধরে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এই অ্যাপের মাধ্যমে নগরবাসী পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত অভিযোগ সরাসরি জানাতে পারবেন, যা দ্রুত নিষ্পত্তিতে সহায়তা করবে বলে আশা করেন তিনি।

আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশ দীর্ঘদিন ধরে অপরিচ্ছন্ন হয়ে আছে তুলে ধরে তিনি বলেন, “বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসার পর তার নির্দেশে ঢাকা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ওই এলাকার বর্জ্য অপসারণ, পরিবেশ পরিচ্ছন্নকরণ এবং মহাসড়কের দুই পাশে নিমগাছের চারা রোপণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”