পাথর তুলে জীবন চলে মহানন্দায়

আন্তঃসীমান্ত নদী মহানন্দার স্বচ্ছ জলরাশির নিচে বিছিয়ে আছে ওপর থেকে নেমে আসা পাথর; বর্ষায় গড়িয়ে আসা সেই পাথরই স্থানীয় অনেকের জীবিকার উৎস।
  • সর্পিলাকার এই নদী ভারতের দার্জিলিং থেকে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া দিয়ে। সেখানে এ নদীতেই টানা হয়েছে ভারত আর বাংলাদেশের সীমানা।

    সর্পিলাকার এই নদী ভারতের দার্জিলিং থেকে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া দিয়ে। সেখানে এ নদীতেই টানা হয়েছে ভারত আর বাংলাদেশের সীমানা।

  • ভারতের ফুলবাড়ি সীমান্ত দিয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে প্রবেশ করে মহানন্দা নদী এগিয়েছে ২০ কিলোমিটার, তারপর সদর ইউনিয়ন দিয়ে আবারো প্রবেশ করছে ভারতে। দার্জিলিংয়ের ২০৬০ মিটার উঁচু মহালিদ্রাম পাহাড়ে এ নদীর উৎপত্তি।

    ভারতের ফুলবাড়ি সীমান্ত দিয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে প্রবেশ করে মহানন্দা নদী এগিয়েছে ২০ কিলোমিটার, তারপর সদর ইউনিয়ন দিয়ে আবারো প্রবেশ করছে ভারতে। দার্জিলিংয়ের ২০৬০ মিটার উঁচু মহালিদ্রাম পাহাড়ে এ নদীর উৎপত্তি।

  • বর্ষা মৌসুমে নদীর তীব্র স্র্রোতের সঙ্গে উজান থেকে নেমে আসে ছোট, মাঝারি, বড়- নানা আকারের পাথর। সেই পাথর সংগ্রহ করে সংসার চলে তেঁতুলিয়া উপজেলার কয়েক হাজার মানুষের।

    বর্ষা মৌসুমে নদীর তীব্র স্র্রোতের সঙ্গে উজান থেকে নেমে আসে ছোট, মাঝারি, বড়- নানা আকারের পাথর। সেই পাথর সংগ্রহ করে সংসার চলে তেঁতুলিয়া উপজেলার কয়েক হাজার মানুষের।

  • ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জীবন বাজি রেখে চলে এই পাথর তোলার সংগ্রাম। প্রতিদিন সকালে শ্রমিকরা দল বেঁধে বাতাসে ফুলানো গাড়ির চাকার টিউব, লোহার চালনি আর পাথর শনাক্তের জন্য লোহার রড নিয়ে নেমে পড়েন নদীতে।

    ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জীবন বাজি রেখে চলে এই পাথর তোলার সংগ্রাম। প্রতিদিন সকালে শ্রমিকরা দল বেঁধে বাতাসে ফুলানো গাড়ির চাকার টিউব, লোহার চালনি আর পাথর শনাক্তের জন্য লোহার রড নিয়ে নেমে পড়েন নদীতে।

  • শীত মৌসুমে মহানন্দায় কোথাও বুক, কোথাও হাঁটুপানি থাকে। তার নিচ থেকে পাথর খুঁড়ে তুলে চালনি দিয়ে ছেঁকে আলাদা করা হয়। সাদা-কালো সেই পাথর পানিতে ভাসানো টিউবে জড়ো কারে নদী তীরে নিয়ে আসা হয়।

    শীত মৌসুমে মহানন্দায় কোথাও বুক, কোথাও হাঁটুপানি থাকে। তার নিচ থেকে পাথর খুঁড়ে তুলে চালনি দিয়ে ছেঁকে আলাদা করা হয়। সাদা-কালো সেই পাথর পানিতে ভাসানো টিউবে জড়ো কারে নদী তীরে নিয়ে আসা হয়।

  • বৃষ্টিতে ভিজে, রোদে পুড়ে, কখনও কনকনে ঠাণ্ডা পানিতে নেমে সারাদিন নদী থেকে পাথর তোলার কাজ চলে। এককভাবে, কিংবা ১০-১২ জনের দল গড়ে পাথর উত্তোলন করেন শ্রমিকরা। দিন শেষে সংগ্রহ করা পাথর বিক্রি করেন স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে। সারা দিন শ্রম দিয়ে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা মেলে।

    বৃষ্টিতে ভিজে, রোদে পুড়ে, কখনও কনকনে ঠাণ্ডা পানিতে নেমে সারাদিন নদী থেকে পাথর তোলার কাজ চলে। এককভাবে, কিংবা ১০-১২ জনের দল গড়ে পাথর উত্তোলন করেন শ্রমিকরা। দিন শেষে সংগ্রহ করা পাথর বিক্রি করেন স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে। সারা দিন শ্রম দিয়ে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা মেলে।

  • ষাটোর্ধ্ব মাজেদা বেগম মহানন্দা নদী থেকে পাথর তুলে সংসার চালান। কিন্তু নারী শ্রমিকদের পুরুষের চেয়ে মজুরি কম দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করলেন।

    ষাটোর্ধ্ব মাজেদা বেগম মহানন্দা নদী থেকে পাথর তুলে সংসার চালান। কিন্তু নারী শ্রমিকদের পুরুষের চেয়ে মজুরি কম দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করলেন।

  • মহানন্দা থেকে সংগ্রহ করা পাথর কিনে নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তা সরবরাহ করেন দেশের বিভিন্ন এলাকায়। বিভিন্ন ধরনের নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হয় সেই পাথর।

    মহানন্দা থেকে সংগ্রহ করা পাথর কিনে নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তা সরবরাহ করেন দেশের বিভিন্ন এলাকায়। বিভিন্ন ধরনের নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত হয় সেই পাথর।

Print Friendly and PDF