নতুন ঘর, নতুন জীবনের স্বপ্ন

মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঘর ও জমি পাবে সারা দেশের আরও ৫৩ হাজার ৩৪০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এক অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের উত্তর জাঙাল গ্রামের ভূমিহীন পরিবারগুলোর হাতে ঘরের চাবি বুঝিয়ে দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের উত্তর জাঙাল গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্পের সারিবদ্ধ ২০টির ঘর। ‘মুজিববর্ষে কেউ গৃহ ও ভূমিহীন থাকবে না’- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই ঘোষণা বাস্তবায়নে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ২ শতাংশ জমির সঙ্গে ঘর পেয়েছেন সারা দেশের প্রায় ৭০ হাজার পরিবার। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ৫৩ হাজার ৩৪০টি পরিবার ঘর উপহার পাবে।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের উত্তর জাঙাল গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্পের সারিবদ্ধ ২০টির ঘর। ‘মুজিববর্ষে কেউ গৃহ ও ভূমিহীন থাকবে না’- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই ঘোষণা বাস্তবায়নে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ২ শতাংশ জমির সঙ্গে ঘর পেয়েছেন সারা দেশের প্রায় ৭০ হাজার পরিবার। দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ৫৩ হাজার ৩৪০টি পরিবার ঘর উপহার পাবে।

  • ভূমিহীন জিলু মিয়া শ্বাসকষ্টের রোগী। স্ত্রী ও এক ছেলেকে নিয়ে অন্যের জায়গায় ঘর তুলে থাকতেন। ছেলে অটোরিকশা চালিয়ে যা উপার্জন করে তাতে সংসার চলত কষ্টেসৃষ্টে। শেষ বয়সে এসে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ঘর পেয়ে জিলু মিয়া তাই দারুণ খুশি। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বললেন, “আমি মানুষের কাছ থেকে চেয়ে চেয়ে চলি। এখন প্রধানমন্ত্রী আমাদের ঘর দিছে, আমার অনেক উপকার হইছে। আল্লাহ আমাগোরে মুখ তুইলা চাইছে।”

    ভূমিহীন জিলু মিয়া শ্বাসকষ্টের রোগী। স্ত্রী ও এক ছেলেকে নিয়ে অন্যের জায়গায় ঘর তুলে থাকতেন। ছেলে অটোরিকশা চালিয়ে যা উপার্জন করে তাতে সংসার চলত কষ্টেসৃষ্টে। শেষ বয়সে এসে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ঘর পেয়ে জিলু মিয়া তাই দারুণ খুশি। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বললেন, “আমি মানুষের কাছ থেকে চেয়ে চেয়ে চলি। এখন প্রধানমন্ত্রী আমাদের ঘর দিছে, আমার অনেক উপকার হইছে। আল্লাহ আমাগোরে মুখ তুইলা চাইছে।”

  • জীবন মালাকার ও বানু মালাকার তাদের ছেলে, বৌ আর নাতিকে নিয়ে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের ঘরে উঠেছেন। ২ শতক জায়গার উপর বানানো সেমি পাকা এসব বাড়িতে আছে একটি বারান্দা, দুটি শোবার ঘর, একটি করে গোসলখানা, টয়লেট ও রান্নাঘর।

    জীবন মালাকার ও বানু মালাকার তাদের ছেলে, বৌ আর নাতিকে নিয়ে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের ঘরে উঠেছেন। ২ শতক জায়গার উপর বানানো সেমি পাকা এসব বাড়িতে আছে একটি বারান্দা, দুটি শোবার ঘর, একটি করে গোসলখানা, টয়লেট ও রান্নাঘর।

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উত্তর জাঙাল গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্পে যে ২০টি পরিবার তাদের স্থায়ী ঠিকানা পেয়েছেন, তাদের অধিকাংশই ভিক্ষুক, দিনমজুর, আশ্রিতা, গৃহকর্মী, রিকশাচালক, ভ্যানচালক।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উত্তর জাঙাল গ্রামে আশ্রয়ণ প্রকল্পে যে ২০টি পরিবার তাদের স্থায়ী ঠিকানা পেয়েছেন, তাদের অধিকাংশই ভিক্ষুক, দিনমজুর, আশ্রিতা, গৃহকর্মী, রিকশাচালক, ভ্যানচালক।

  • স্বামীহারা সুরবালা দাশ দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন, দুই ছেলে তার সাথেই থাকেন। ছেলেরা রিকশা চালিয়ে যে আয় করে, তাতে ঘর ভাড়া দিয়ে সংসার চালানো ছিল কষ্টের। এখন প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে সেখানে উঠেছেন তারা। সুরবালা বললেন, “এতদিন মাইনসের জাগাত থাকতাম, নিজের জায়গা ছিল না, শেখ হাসিনা আমার মত মানুষরে ঘর দিছে’ এখন আশা পাচ্ছি।”

    স্বামীহারা সুরবালা দাশ দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন, দুই ছেলে তার সাথেই থাকেন। ছেলেরা রিকশা চালিয়ে যে আয় করে, তাতে ঘর ভাড়া দিয়ে সংসার চালানো ছিল কষ্টের। এখন প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে সেখানে উঠেছেন তারা। সুরবালা বললেন, “এতদিন মাইনসের জাগাত থাকতাম, নিজের জায়গা ছিল না, শেখ হাসিনা আমার মত মানুষরে ঘর দিছে’ এখন আশা পাচ্ছি।”

  • অটোরিকশা চালক শফিক মিয়া তার স্ত্রী ঝর্ণা বেগম আর চার ছেলেমেয়েকে নিয়ে উঠেছেন আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের ঘরে। প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে তার মুখে আনন্দের হাসি।

    অটোরিকশা চালক শফিক মিয়া তার স্ত্রী ঝর্ণা বেগম আর চার ছেলেমেয়েকে নিয়ে উঠেছেন আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের ঘরে। প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে তার মুখে আনন্দের হাসি।

  • প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাওয়া এই পরিবারগুলোর অতীতের গল্প ভিন্ন হলেও সামনের দিনগুলোর ভাবনা তাদের প্রায় একইরকম। সবাই নিজের ঘরে একটু স্বস্তির জীবন পাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর উপহার পাওয়া এই পরিবারগুলোর অতীতের গল্প ভিন্ন হলেও সামনের দিনগুলোর ভাবনা তাদের প্রায় একইরকম। সবাই নিজের ঘরে একটু স্বস্তির জীবন পাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

Print Friendly and PDF