Published : 25 May 2021, 03:11 PM
চান্দু মিয়া নামে ওই আসামিকে সোমবার রাতে সাভারের গেণ্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশের বিশেষায়িত এই শাখার পক্ষ থেকে জানানো হয়।
মঙ্গলবার এটিইউ এর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “চান্দু মিয়া কৌশলে দীর্ঘ দিন ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন পরিচয়ে পালিয়ে ছিলেন।”
চান্দু মিয়া জেএমবির ইসাবা গ্রুপের একজন ‘সক্রিয় সদস্য’ জানিয়ে এটিইউ বলছে, “তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জেএমবির কয়েকজন সদস্যের নাম জানা গেছে, যারা বর্তমানে গোপনে কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।”
২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের চৈতার মোড়ে মাজারের খাদেম রহমত আলীকে (৬০) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়।
ওই ঘটনায় নিহতের ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
২০১৭ সালের ৩ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউনিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মামুন অর রশীদ রংপুরে জেএমবির আঞ্চলিক কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মামুনসহ ১৪ জঙ্গির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।
পরের বছর ১৮ মার্চ রংপুরের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক নরেশ চন্দ্র সরকার ওই মামলায় ৭ জনের ফাঁসির রায় দেন; খালাস দেওয়া হয় ৬ জনকে।
রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- জেএমবি সদস্য চান্দু মিয়া, জেএমবির রংপুর অঞ্চলের কমান্ডার মাসুদ রানা ওরফে মন্ত্রী, সদস্য এছাহাক আলী, লিটন মিয়া ওরফে রফিক, বিজয় ওরফে আলী ওরফে দর্জি, সাখাওয়াত হোসেন, সরওয়ার হোসেন ওরফে সাবু।
তাদের মধ্যে মাসুদ রানা, এছাহাক আলী, লিটন মিয়া ও সাখাওয়াত হোসেন রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যা মামলারও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।
খাদেম রহমত আলীকে হত্যার এক মাস আগে রংপুরের আলুটারি গ্রামে রিকশায় করে যাওয়ার সময় মুখোশধারীদের গুলিতে নিহত হন ৬৬ বছর বয়সী কুনিও হোশি।