Published : 10 Jan 2026, 04:32 PM
ঢাকার মিরপুর রোডে গ্যাস বিতরণ লাইনের যে ভাল্ভ বিস্ফোরিত হয়েছিল, সেখানে নতুন ভাল্ভ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
তবে গ্যাসের ‘স্বল্পচাপ’ পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটতে আরও কয়েক ঘণ্টা সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
শনিবার দুপুর ৩টার পর দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিতাস গ্যাস এ অসুবিধার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছে।
গ্যাস বিতরণকারী কোম্পাটির তথ্য অনুযায়ী, মিরপুর রোডে সাবেক গণভবনের সামনে বিতরণ লাইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাল্ভ বিস্ফোরিত হয়। মেরামতের জন্য বিতরণ নেটওয়ার্কের বেশ কয়েকটি ভাল্ভ বন্ধ করে চাপ সীমিত করায় ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, নিউ মার্কেট, হাজারীবাগ, গাবতলীসহ আশপাশের এলাকায় গ্যাসের ‘মারাত্মক স্বল্পচাপ’ বিরাজ করছিল।
এর আগে শুক্রবার তিতাস গ্যাস জানিয়েছিল, ঢাকার আমিন বাজারে তুরাগ নদীর তলদেশে ট্রলারের নোঙ্গরের আঘাতে গ্যাসের পাইপলাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে পাইপলাইনটি মেরামত করা হয়।
“কিন্তু মেরামতের সময়ে পাইপে পানি প্রবেশ করায় এবং একই সঙ্গে ঢাকা শহরে গ্যাসের সরবরাহ কম থাকায় ঢাকা মহানগরীতে গ্যাসের মারাত্মক স্বল্পচাপ বিরাজ করছে।”
গত মঙ্গলবার থেকে গ্যাসের স্বল্পচাপে নাজেহাল মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা মীর হুযাইফা আল-মামদূহ।
তিনি ফেইসবুকে লিখেছেন, “'গত ৫ দিন ধরে গ্যাস যে নাই, সরকারের পক্ষ থেকে তো কোন আলাপই দেখলাম না।
“কারুর কোন টনকই নড়তেছে না। বুঝতে পারলাম না। কেউ আন্দোলনে নামেন গ্যাসের জন্য, আমি যোগ দিব।”
গত রোববারের পর থেকে গ্যাসের ‘স্বল্পচাপ’ অবস্থা চলায় ভোগান্তিতে পড়েছেন ঢাকার বাসিন্দারা। অনেক এলাকায় চুলা জ্বালানো যাচ্ছে না, আবার কোথাও গভীর রাতে সামান্য গ্যাসের চাপ পাওয়া যাচ্ছে। হোটেল–রেস্তোরাঁ, বেকারি ও ক্ষুদ্র খাবারের দোকানগুলোতে রান্না কার্যত ব্যাহত হচ্ছে। বাসাবাড়িতে রান্নার বিকল্প হিসেবে কেউ বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছেন, কেউ আবার বাইরে থেকে খাবার কিনে নিতে বাধ্য হচ্ছেন।