১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

‘জঙ্গি সন্দেহে’ গ্রেপ্তার দুজন ৪ দিনের রিমান্ডে

“তারা ও তাদের পলাতক সহযোগীরা নব্য জেএমবির আদর্শে উজ্জীবিত,” বলা হয় রিমান্ড আবেদনে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Feb 2026, 06:27 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:51 PM

ঢাকার সাভার ও কেরাণীগঞ্জ থেকে ‘জঙ্গি সন্দেহে’ গ্রেপ্তার বেলায়েত হোসেন ও তোফায়েল হোসেন তপুকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।

বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাদের চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) ইন্সপেক্টর এসএম মিজানুর রহমান তাদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

শুনানি নিয়ে বিচারক চার দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন বলে প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন।

ঢাকার জিয়া উদ্যান লেক এলাকা থেকে শনিবার আহসান জহীর খান (৫০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে সিটিটিসি। তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির এহসার সদস্য বলে পুলিশের দাবি। তার বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়।

আহসান জহীরকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যে মঙ্গলবার রাতে সাভার থেকে বেলায়েতকে ও কেরাণীগঞ্জ থেকে তপুকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ দুজনকেও শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আহসান জহীরের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে বেলায়েত ও তোফায়েলসহ আরও কয়েকজনের মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে। বেলায়েত ও তোফায়েলকে জিজ্ঞাসাবাদে মামলার ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা ‘স্বীকার করে’। বেলায়েতের মোবাইল ফোন পর্যালোচনা করে তাদের জঙ্গি সম্পৃক্ততার বিষয়টি প্রতীয়মান হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, তারা ও তাদের পলাতক সহযোগীরা নব্য জেএমবির আদর্শে উজ্জীবিত। তারা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা ও চেষ্টা চালানোর উদ্দেশ্যে মিলিত হয়েছিল। তারা জেএমবি সদস্যরা ফেইসবুক, মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে ছদ্মনামে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখেন। তারা ‘উগ্রবাদী লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও আদর্শ’ বাস্তবায়নের জন্য কার্যক্রম চালিয়ে আসছে।