১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

গরমের মধ্যে ঢাকায় তিনজনের মৃত্যু

মৃত্যুর কারণ জানতে ময়নাতদন্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

গরমের মধ্যে ঢাকায় তিনজনের মৃত্যু
মাস জুড়ে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ মানুষ। ফাইল ছবি

ঢাকা মেডিকেল প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 10 Feb 2025, 03:36 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:04 PM

তাপদাহের মধ্যে রোববার রাজধানীতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে তাদের মৃত্যুর কারণ জানাতে পারেননি চিকিৎসকরা।

রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মো. সেলিম নামের এক মাংস ব্যবসায়ীকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।

হাসপাতালে নিয়ে আসা সিএনজি অটোরিকশার চালক মো. রুবেল জানান, কাওরান বাজারে সেলিমের দোকান রয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টায় তার অটো ভাড়া করে যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় ছাগল কিনতে যান।

ছাগল কিনে যাত্রাবাড়ী বিবিরবাগিচা বাসার সামনে গিয়ে ছেলের কাছ থেকে একটি ব্যাগ নেন। পরে সেই অটোতে করেই কারওয়ানবাজার যাওয়ার সময় কাজলা ব্রিজের ওপরে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

ওই অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন অটোচালক। বলেন, “সুস্থ মানুষ নিয়ে আসলাম অথচ লোকটি মারা গেল।”

ঢাকা মেডিকেল কলেজ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, “মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হাসপাতালের চিকিৎসক মহিউদ্দিন শেখ বলেন, “সেলিমকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। ময়না তদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।”

কমিউনিটি পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

রোববার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ফুলবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দায়িত্ব পালনের সময় কমিউনিটি পুলিশ সদস্য বজলুর রহমান (৫০) অজ্ঞান হয়ে পড়েন।

সহকর্মী রুহুল আমিন জানান, তড়িঘড়ি করে বজলুরকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বংশাল থানার এসআই শাহ জালাল জানান, “প্রচণ্ড গরমে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারেন এই কমিউনিটি পুলিশ সদস্য। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে।”

গুলিস্তানেই আরেকজনের মৃত্যু

গুলিস্তানে পীর ইয়ামেনী মার্কেটে নামাজ পড়ার সময় মিজানুর রহমান (৬০) নামের এক ব্যক্তি অচেতন হয়ে পড়েন। ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে তিনি মৃত বলে জানান চিকিৎসক।

মিজানুর কুমিল্লা বরুরা উপজেলার আনাইসকোটা গ্রামের মৃত আব্দুল গনি মুন্সির ছেলে ।

হাসপাতালে নিয়ে আসা তার বন্ধু ইউসুফ ও বোন জামাই আব্দুল মালেক জানান, মিজানুর আগে সিলেটে পাথরের ব্যবসা করতেন। বর্তমানে তেমন কিছু করতেন না। থাকতেন পুরানা পল্টনে। তার পরিবার থাকেন গ্রামের বাড়িতে।

ইউসুফ বলেন, “আছরের নামাজের আগে হঠাৎ খারাপ লাগছে জানিয়ে নামাজের জন্য জামাতে দাঁড়ায় মিজানুর। নামাজরত অবস্থায় সে অচেতন হয়ে পড়ে। হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারে।”

ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া জানান, মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে