বায়তুল মোকাররম থেকে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের ১৪ জন রিমান্ডে
গত ২৪ অক্টোবর তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম এলাকায় জড়ো হয়ে মিছিলের পরিকল্পনা, রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান, নাশকতার পরিকল্পনা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের ১৪ নেতাকর্মীকে ৩ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা রিমান্ডের আদেশ দেন বলে তথ্য দিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রোকনুজ্জামান।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি মোস্তফা সরদার, মো. রাশেদ, ঢাকা ৪৭ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান রাজীব, সেলিম মিঞা, আব্দুস সামাদ রনি, মমিন হাওলাদার, মো. জিহাদ, রসুলপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য মো. মহিউদ্দিন, যুবলীগ কর্মী মো. রাহাদ, রাতুল, মো. মারুফ, মো. রায়হান, সানি এবং নাজমুল হাসান হৃদয়।
এই ১৪ আসামির সাথে মো. আপন ও চার কিশোরকে শনিবার সন্ধ্যায় পল্টন থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়। চার শিশুকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো ও অপর ১৫ আসামির সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার এসআই মিরাজুল ইসলাম।
চার কিশোর গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে এবং ১৫ জনকে কারাগারে পাঠিয়ে মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানির দিন রাখে আদালত। তবে এ দিন আপনকে আদালতে হাজির করা হয়নি। অপর ১৪ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট শাহরুক মিরাজ, ওবায়দুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ (রাসেল) রিমান্ড বাতিল করে জামিন প্রার্থণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। পরে আদালত ১৪ আসামির তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়। এসআই রোকনুজ্জামান জানান, গ্রেপ্তার আপনকে আদালতে হাজির করতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে। মামলায় বলা হয়, রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় বায়তুল মোকাররমের পাশে আজাদ প্রোডাক্টস গলির মুখে গত ২৪ অক্টোবর আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ১০০ থেকে ১২০ জন নেতাকর্মী জড়ো হয়ে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী উসকানিমূলক স্লোগান দেন এবং নাশকতার পরিকল্পনা করেন। খবর পেয়ে পল্টন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পালানোর চেষ্টা করে। পরে পুলিশ ও স্থানীয় জনতার সহায়তায় তাদের আটক করে। পরে এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানায় মামলা করে পুলিশ।
