‘আইনের সীমাবদ্ধতা শতভাগ জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে বাধা’
নিবন্ধন না থাকলে শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ ও পরিচয়হীন নাগরিকত্বের মতো সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে, বলা হয়েছে কর্মশালায়।
বর্তমান ‘আইনের সীমাবদ্ধতা ও দুর্বল বাস্তবায়ন’ শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্য অর্জনে বাধা তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন জিএইচএআই বাংলাদেশের কান্ট্রি লিড মুহাম্মদ রূহুল কুদ্দুস।
তিনি বলেন, “২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।
“এ লক্ষ্যে আইন সংস্কারের পাশাপাশি বিদ্যমান আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।”
রাজধানীর বিএমএ ভবনে আয়োজিত এক কর্মশালায় বক্তব্য রাখছিলেন রুহুল কুদ্দুস।
গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই) এর সহযোগিতায় প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এই কর্মশালা আয়োজন করে বলে সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশে জন্ম নিবন্ধনের হার ৫০ শতাংশ এবং মৃত্যু নিবন্ধনের হার ৪৭ শতাংশ, যেখানে বৈশ্বিক গড় যথাক্রমে ৭৭ ও ৭৪ শতাংশ।
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন প্রতিটি নাগরিকের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, ভোটাধিকার, উত্তরাধিকার এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মতো মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে।
নিবন্ধন না থাকলে শিশুশ্রম, বাল্যবিবাহ ও পরিচয়হীন নাগরিকত্বের মতো সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে।
বর্তমান আইনে জন্ম ও মৃত্যুর তথ্য প্রদানের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট পরিবারকে দেওয়া হয়েছে এবং স্বাস্থ্য বিভাগের ভূমিকাকে ঐচ্ছিক রাখা হয়েছে। অথচ দেশের প্রায় ৬৭ শতাংশ শিশু স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে জন্মগ্রহণ করে।
ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিসের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন প্রক্রিয়া সর্ম্পকে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।
“নিবন্ধকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং আন্ত-খাত সমন্বয় শক্তিশালী করতে হবে।”
