১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কেরাণীগঞ্জে আগুনে ৬ মৃত্যু: ইমান উল্লাহ ৩ দিনের রিমান্ডে

পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছিল।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 06 Apr 2026, 02:57 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:21 PM

ঢাকার কেরাণীগঞ্জে গ্যাস লাইটার কারখানায় আগুনে ছয়জন নিহতের মামলায় আসামি ইমান উল্লাহ ওরফে মাস্তানকে তিন দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

ঢাকার বিচারিক হাকিম তানভীর আহমদ সোমবার শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই মো. আরিফ।

শনিবার দুপুরে কেরাণীগঞ্জের কদমতলীর আমবাগিচা ডিবজলের গলিতে ‘এসার গ্যাস প্রো ফ্যাক্টরিতে’ আগুন লাগে, যাতে ছয়জন নিহত হয়। এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার এসআই জুয়েল রানা তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার বাকি দুই আসামি হলেন—কারখানা মালিক আকরাম উল্লাহ আকরাম এবং তার ছেলে আহনাফ আকিফ আকরাম। ইমান উল্লাহ প্রকাশ মাস্তান তাদের আত্মীয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মামলা হওয়ার ইমান উল্লাহকে (৫০) দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের কদমতলী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে রোববার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার এসআই রফিকুল ইসলাম। তবে সেদিন শুনানিতে হাজির হননি তদন্ত কর্মকর্তা। এজন্য আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে সোমবার রিমান্ড আবেদনের শুনানির দিন ঠিক করে।

এদিন শুনানিকালে ইমান উল্লাহকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। তার পক্ষে আইনজীবী রিফাত আহমেদ রিমান্ড আবেদন বাতিল চেয় জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

তিনি বলেন, “ফ্যাক্টরির স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো কিছুতেই তিনি জড়িত না। ডায়াবেটিস, কিডনির সমস্যাসহ নানা রোগে তিনি ভুগছেন। অসুস্থ বিবেচনায় তার রিমান্ড আবেদন বাতিল করে জামিন দেওয়া হোক।”

আসামি ব্যবসায়ী হওয়ায় সামাজিকভাবে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করতেই মামল আসামি করা হয়েছে

বলে দাবি করেন এ আইনজীবী। শুনানি শেষে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।

মামলায় বলা হয়, আসামিরা জনবহুল এলাকায় অবৈধভাবে ৮-১০ বছর আগে কারখানা বসায়। তারা ৫০ থেকে ৬০ জন শিশু, নারী ও পুরুষ শ্রমিক নিয়ে কারাখানা চালিয়ে আসছিল। একাধিকার কারখানাটি সিলগালাও করা হয়। কিন্তু পেশী শক্তি ব্যবহার করে আসামিরা কারখানার ফটকে তালা মেরে ভেতরে লুকিয়ে লুকিয়ে কর্মযজ্ঞ চালিয়ে আসছিল।