Published : 31 Aug 2026, 05:45 PM
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে ২০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের মামলায় গ্রেপ্তার দুজনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত সোমবার এ আদেশ দেন বলে প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আবু বকর ছিদ্দিক জানিয়েছেন।
কারাগারে যাওয়া দুজন হলেন- আল-আমিন শান্ত ও আব্দুর রউফ।
এক দিনের রিমান্ড শেষে সোমবার তাদের আদালতে হাজির করে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার এসআই সাব্বির হোসেন। আসামিপক্ষে আইনজীবী আব্দুর রহমান তাদের জামিন চেয়ে আবেদন করেন।
শুনানিতে আসামিদের আইনজীবী বলেন, “আদালতের বাইরে আসামি ও বাদীর মধ্যে আপস-মীমাংসা হয়েছে। তারা জামিন পেলে পালিয়ে যাবেন না।”
মামলার বাদী মো. সুমনও আসামিদের জামিনে আপত্তি না থাকার আদালতে বলেন।
তবে রাষ্ট্রপক্ষে এসআই আবু বকর ছিদ্দিক জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, “এটা দস্যুতার মামলা। আসামিদের কাছ থেকে স্বর্ণ উদ্ধার আছে। আসামিদের জামিনের তীব্র বিরোধিতা করছি।”
উভয়পক্ষের শুনানি নিয়ে বিচারক দুই আসামিকে কারাগারে পাঠিয়ে জামিন শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন।
গত ২৯ অগাস্ট বিমানবন্দর থানায় স্বর্ণালঙ্কার ছিনতাইয়ের অভিযোগে মামলা করেন মো. সুমন নামে একজন।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, মামলার আগের দিন, অর্থাৎ ২৮ অগাষ্ট কাউসার নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসী তার বোনের বিয়ে ও পরিবারের ব্যবহারে জন্য ২০০ গ্রাম স্বর্ণালঙ্কার পাঠানো পরিচিত একজনের কাছে। বিমানবন্দরে সেটি গ্রহণ করেন কাউসারের ছোট ভাই মো. সুমন তার বন্ধু রোহান চৌধুরী।
রাত ৮টার দিকে বিমানবন্দর এলাকা থেকে ভাড়া করা হায়েস গাড়িতে ওঠেন তারা। এসময় বলাকা ভবনের বিপরীতে আসামিরা সেই গাড়ির গতিরোধ করেন। আসামিরা নিজেদের ‘আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ পরিচয় দিয়ে বোমার ভয় দেখান’। এলোপাতাড়ি কিল-ঘুসি মারেন। একপর্যায়ে সুমন ও রোহানের কাছ থেকে স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেন।
এ ঘটনায় পর দিন সুমন চারজনের নামে মামলা করলে সেদিন রাতেই বিমানবন্দর এলাকা থেকে আল-আমিন শান্ত ও আব্দুর রউফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অন্য দুই আসামি হলেন- রিপন হোসেন ও রানা হোসেন রুবেল।
আল-আমিন শান্ত ও আব্দুর রউফকে গ্রেপ্তারের পর দিন তাদের এক দিনের রিমান্ড আদেশ দিয়েছিল আদালত।