পুলিশকে মারধর: মুগদা মেডিকেলের সেই চিকিৎসকের জামিন
“আসামি একজন বিসিএস কর্মকর্তা। বয়সের কারণে রাগের বশে তিনি এ কাজ করেছেন,” শুনানিতে বলেন বিবাদীর আইনজীবী।
ঢাকায় খিলগাঁও রেলক্রসিং এলাকায় গাড়ি ছাড়তে ‘দেরি হওয়ায়’ ট্রাফিক পুলিশের দুই সদস্যকে মারধরের মামলায় জামিন পেয়েছেন চিকিৎসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।
বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম আওলাদ হোসাইন মোহাম্মদ জোনাইদের আদালত থেকে জামিন পান মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এ মেডিকেল অফিসার।
এদিন আনোয়ার হোসেনকে আদালতে হাজির করে কারাগারে রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খিলগাঁও থানার এসআই মো. গোলজার হোসেন। অন্যদিকে জামিনের আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী শেখ আব্দুল বারী।
শুনানিতে তিনি বলেন, “আসামি একজন বিসিএস কর্মকর্তা। বয়সের কারণে রাগের বশে তিনি এ কাজ করেছে। তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। জামিন পেলে পলাতক হবেন না। ভুক্তভোগীর আঘাত বেশি গুরুতর নয়। সেজন্য তার জামিন চাইছি।”
শুনানি শেষে ৫০০ টাকা মুচলেকায় ধার্য তারিখ পর্যন্ত তার জামিনের আদেশ দেন বলে জানান প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই মারুফুজ্জামান।
মামলার বিবরণীতে বলা হয়, মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ৩ টার দিকে খিলগাঁও রেলগেইটের দক্ষিণ সিগন্যালে পড়ে যান আনোয়ার হোসেন। দেরি হয়ে যাওয়ার কারণে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য রবিউল হাসানকে গালমন্দ করেন এবং হুমকি দিয়ে চলে যান।
“১৫ মিনিট পর ১০ থেকে ১২ জন ছয়-সাতটি মোটরসাইকেলে করে রবিউলের কাছে এসে তার গোপনাঙ্গে লাথি মারে। আনোয়ারসহ অন্যরা তাকে মাটিতে ফেলে ঘাড়, বুক, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। বিট অফিসার এএসআই রবিউল ইসলাম এগিয়ে এলে তাকে ধাক্কা দেয়। তার পোশাকের র্যাংক বেইজ ধরেও টান দেওয়া হয়। পরে আশপাশের পুলিশ সদস্যরা এসে আনোয়ারকে আটক করে। বাকির পালিয়ে যায়।”
সরকারি কাজে বাধা দেওয়া ও মারধর করে জখম করার অভিযোগে করা এ মামলায় বাদি হয়েছেন সবুজবাগ ট্রাফিক বিভাগের কনস্টেবল রবিউল হাসান।
আরও পড়ুন
