Published : 14 Aug 2024, 07:09 PM
পাঁচ বছর আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ফেনীর ছাগলনাইয়ার মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেলের উপজেলা চেয়ারম্যান পদে থাকা অবৈধ ঘোষণা করেছে হাই কোর্ট।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হিসেবে ২০১৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিনি যত বেতন-ভাতা ও আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন, তা ৩০ দিনের মধ্যে ফেরত দিতে বলেছে আদালত।
এ বিষয়ে ২০১৯ সালে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করে।
মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেলের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ ও মো. অজি উল্লাহ। তার দুই প্রতিপক্ষ আব্দুল হালিম ও শহিদুল্লাহ মজুমদারের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মাহবুব উদ্দিন খোকন ও এস এম কফিল উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।
পরে কাজী মাঈনুল হাসান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ২০১৯ সালে ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আব্দুল হালিম ও শহিদুল্লাহ মজুমদারের প্রার্থিতা বাতিল হয়। ফলে মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
এদিকে প্রার্থিতা ফেরত চেয়ে রিট আবেদন করেন হালিম ও শহিদুল্লাহ। সোহেলকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত ঘোষণার বৈধতাও তারা চ্যালেঞ্জ করেন।
২০১৯ সালেই হাই কোর্ট এসব বিষয়ে রুল জারি করে এবং ছাগলনাইয়া উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচনের গেজেট স্থগিত করে। পরে চেম্বার আদালত হাই কোর্টের আদেশ স্থগিত করে দেয়।
আইনি জটিলতায় মেজবাউল হায়দার চৌধুরী সোহেল উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিতে পারেননি। শপথ না নিলেও তিনি উপজেলা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
মাঈনুল হাসান বলেন, পাঁচ বছর আগে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বৃহস্পতিবার রায় দিল হাই কোর্ট। সেখানেই সোহেলের উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
“একইসঙ্গে তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে যে বেতন-ভাতা ও সুবিধা নিয়েছেন তা রায় পাওয়ার এক মাসের মধ্যে ফেরত দিতে বলেছেন। এই সময়ের মধ্যে ফেরত না দিলে ফেনীর জেলা প্রশাসককে তা আদায় করতে বলেছেন।”