Published : 02 Apr 2026, 04:12 PM
জলাবদ্ধতা নিরসনে ছয়টি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম।
নগর সংস্থার দায়িত্ব নেওয়ার পর এক মাসের কার্যক্রম ও পদক্ষেপ তুলে ধরতে বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবনে সংবাদ সম্মেলনে আসেন তিনি।
প্রশাসকের নেওয়া পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে—
হটস্পট চিহ্নিতকরণ: জলাবদ্ধতার মোট ৩৩টি ‘হটস্পট’ চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব জায়গায় দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম: প্রতিটি এলাকার জন্য জরুরি সাড়াদানকারী দল বা ইআরটি প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
পোর্টেবল পাম্প: অতিবৃষ্টিতে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণের জন্য নতুন ছয়টি পোর্টেবল পাম্প প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া করপোরেশনের দুটি স্থায়ী পাম্প স্টেশনকে সম্পূর্ণ সচল করা হয়েছে।
নতুন আউটলেট নির্মাণ: ডিএসসিসি এলাকার পানি নির্গমনের জন্য টিটিপাড়া, ধোলাইখাল ও হাতিরঝিল এলাকায় মোট তিনটি আউটলেট রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। দ্রুত পানি নির্গমনে নিউ মার্কেট ও পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাট এলাকায় দুটি নতুন আউটলেট নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে, যা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।
মাস্টারপ্ল্যান রিভিশন: ঢাকা ওয়াসার কাছ থেকে পাওয়া ড্রেনেজ ব্যবস্থার মহাপরিকল্পনা আধুনিকায়নের জন্য পরামর্শকপ্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাদের সুপারিশ অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদী কাজ পরিচালনা করা হবে।
খাল পুনরুদ্ধার: জিরানি, শ্যামপুর, কালুনগর ও মান্ডাচারটি খালের প্রবাহ সচল ও নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টিতেপ্রকল্প চলমান রয়েছে।
অগ্নিনির্বাপণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় নিজের নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরে আব্দুস সালাম বলেন, “ল্যান্ডফিলে প্রায়ই ঘটা অগ্নিকাণ্ড রোধে ১৮১ একরজায়গাজুড়ে ৪০টি পয়েন্টে পানির হাইড্রেন্ট স্থাপন এবংপানির লাইনসহ স্থায়ী জলাধার নির্মাণের কার্যক্রম হাতেনেওয়া হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে আগুন নেভানোর জন্যনতুন ৬টি পোর্টেবল পাম্প কেনা হয়েছে।
“ময়লার স্তূপ থেকে উৎপন্ন মিথেন গ্যাসের কারণেই মূলত এখানে আগুন লাগে। বর্তমানে ময়লার উপরে মাটির আচ্ছাদন দেওয়ার কাজ প্রায় ৪০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে, যা দুর্গন্ধ ও অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।”