২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

প্রতিটি দেশের সঙ্গে ‘লাভজনক সম্পর্ক’ গড়তে চাই: খলিলুর রহমান

“আমাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবার একটা প্রবল ইচ্ছা আমরা দেখেছি।”

প্রতিটি দেশের সঙ্গে ‘লাভজনক সম্পর্ক’ গড়তে চাই: খলিলুর রহমান
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 23 Feb 2026, 05:44 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:01 PM

‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে দূরের ও কাছের সব দেশের সঙ্গে ‘অত্যন্ত গভীর সম্পর্ক’ প্রতিষ্ঠার আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

দুই দিনে ডজনের বেশি বিদেশি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সোমবার তিনি বলেছেন, “আমরা আমাদের সরকারের বৈদেশিক নীতির আউটলাইনটা তাদেরকে বলেছি। আমরা বলেছি যে আমাদের মোটো হচ্ছে, বাংলাদেশ ফার্স্ট বা ‘সবার উপরে বাংলাদেশ’।

“এবং আমরা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, পরস্পরের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক মঙ্গল এবং জাতীয় মর্যাদা, এইসব মূলনীতির উপর আমাদের কার্যক্রম প্রতিষ্ঠিত থাকবে। আমরা প্রতিটি দেশের সঙ্গে পরস্পরেরর জন্য লাভজনক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই, অ্যাজ কো-ইকুয়ালস।”

রোববার সকালে ঢাকায় সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলের সৌজন্য সাক্ষাৎ পর্ব শুরু হয়। ওইদিন একে একে আসেন চীনের রাষ্ট্রদূত এবং ভারত ও পাকিস্তানের হাই কমিশনার।

সোমবার দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। এরপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের নেতৃত্বে ইউরোপীয় জোটভুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “তাদের মধ্যে আমি লক্ষ্য করেছি, এই সরকারের প্রতি তাদের বিপুল আস্থা এবং আমাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবার একটা প্রবল ইচ্ছা, সেটা আমরা দেখেছি। 

“আমরা আশা করি, আমাদের অঞ্চলের এবং বিশ্বের অন্যান্য স্থানে আমাদের যে সমস্ত বন্ধু-রাষ্ট্র আছে, তাদের সবার সঙ্গে অত্যন্ত গভীর সম্পর্ক আমরা প্রতিষ্ঠা করতে পারব।”

এসব বৈঠকে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে খলিল বলেন, “আমরা বলেছি আমাদের যে সমস্ত ইস্যু আছে, সেই ইস্যুগুলো আমরা সম্মানজনকভাবে, পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে সমাধান করব। যেখানে আমাদের সকলের স্বার্থ সুরক্ষিত হয়।

“এ পর্যন্ত আমি যে কথা বলেছি বিভিন্ন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে, আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী যে আগামী দিনগুলোতে আমরা একটা অত্যন্ত গতিশীল পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করতে পারব।”

সীমান্তে প্রাণক্ষয় নিয়ে ভারতীয় হাই কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে কি-না জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এ পর্যন্ত যে সাক্ষাৎগুলো হয়েছে, সেগুলো হচ্ছে সৌজন্যমূলক-বন্ধুত্বমূলক সাক্ষাৎকার। এরপরে আমরা সুনির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করব এবং সেজন্য তো অনেকটা সময় পড়েই আছে।”