২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
নতুন সরকারপ্রধানের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বিদেশ সফর হিসেবে চীনকে বেছে নেওয়া কি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন দিকনির্দেশনা? ভারত ও চীনের সংবাদমাধ্যমের ভিন্ন বয়ানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভূরাজনৈতিক সমীকরণ কী বলছে?
গত এক দশক ধরে বাংলাদেশের চোখ ছিল শুধু রোহিঙ্গা সংকটে। কিন্তু এখন দেশটির দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে ধেয়ে আসছে তার চেয়েও বড় ভূ-রাজনৈতিক ঝড়। সীমান্তের ওপারে ক্ষমতা এখন আর মিয়ানমার জান্তার হাতে নেই, নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে আরাকান আর্মির কাছে। এই নতুন বাস্তবতায় বাংলাদেশ কি পারবে তার প্রথাগত কূটনীতি বদলে নতুন কৌশল সাজাতে? ‘আরব নিউজ’ থেকে অনূদিত আজিম ইব্রাহিমের লেখা।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের বয়স হলো একশ দিন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, রাজনৈতিক পরিবেশ ও অর্থনৈতিক অবস্থা- সবমিলিয়ে কেমন ছিল এই সময়ের চিত্র?
একটি আদর্শ বাণিজ্য চুক্তির মূল শর্ত হওয়া উচিত পারস্পরিক সুবিধা ও সমতা, কিন্তু এই চুক্তির পাতায় পাতায় সেই নৈতিকতার চরম লঙ্ঘন পরিলক্ষিত হয়।
“আমাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবার একটা প্রবল ইচ্ছা আমরা দেখেছি।”
তালেবান শাসিত কাবুল ও হিন্দু জাতীয়তাবাদী দিল্লি—দুই বিপরীত মতাদর্শের মিলনে দক্ষিণ এশিয়া লিখছে কূটনীতির নতুন অধ্যায়। অথচ দূর আমেরিকার এক আফগান চালকের প্রশ্ন মনে করিয়ে দেয়, এই সব রাষ্ট্রীয় কূটনীতিতে হোসাইনদের মতো মানুষের জায়গা কোথায়?
তিনি বলেন, “আমাকে অন্যের সাথে একমত হতে হবে, তাহলে গণতন্ত্র। আমি যদি অন্যের সাথে দ্বিমত করি, তাহলে গণতন্ত্র না। এটি কেমন গণতন্ত্র?”
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে আসলেন ‘বিচরা হুয়া ভাই’ খুঁজতে। তবে ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার আগে ইতিহাসের অমীমাংসিত দায়দেনা নিয়ে মীমাংসা প্রয়োজন।