ঢাকায় ফিফা ফাউন্ডেশন কমিউনিটি প্রোগ্রামের দ্বিতীয় বর্ষের কার্যক্রম শুরু
প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বছরের এ কর্মসূচির সূচনা হয়।
সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরদের নিয়ে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার বৈশ্বিক সামাজিক উন্নয়ন উদ্যোগ ‘ফিফা ফাউন্ডেশন কমিউনিটি প্রোগ্রাম’-এর দ্বিতীয় বর্ষের কার্যক্রম শুরু করেছে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন।
বুধবার রাজধানীর গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের মাঠে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বছরের এ কর্মসূচির সূচনা হয়।
আয়োজকরা বলছেন, বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে ফিফা ফাউন্ডেশনের এই প্রোগ্রামে অংশীদার হিসেবে কাজ করছে অভিযাত্রিক। ‘প্লেয়িং ফর পিস’ শীর্ষক এই বৈশ্বিক উদ্যোগের আওতায় ঢাকার মিরপুর এলাকার ১০ থেকে ১৮ বছর বয়সী এক হাজার সুবিধাবঞ্চিত শিশু-কিশোরকে নিয়মিত ফুটবল প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ৬০০ ছেলে, ৪০০ মেয়ে এবং ৫০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু রয়েছে।
আয়োজকদের ভাষ্য, এটি কেবল ফুটবলভিত্তিক কর্মসূচি নয় বরং খেলাধুলার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্ব ও জীবনদক্ষতা বিকাশের একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানী, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম, গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান তমাল এবং অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের সভাপতি আহমেদ ইমতিয়াজ জামি উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী আয়োজনে শিশু-কিশোরদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ শেষে বিজয়ীদের ট্রফি এবং সব খেলোয়াড়কে মেডেল দেওয়া হয়।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটির প্রথম বছরে (এপ্রিল ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬) ৪৮টি ফুটবল প্রশিক্ষণ, ৬টি টুর্নামেন্ট ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য ১৩টি সেশন পরিচালিত হয়। পাশাপাশি জীবনদক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষামূলক কর্মশালা, ডিজিটাল ক্লাসরুম ও মনোসামাজিক কাউন্সেলিং সেশনে অংশ নেয় শিশুরা।
দ্বিতীয় বছরে কর্মসূচির পরিধি আরো বাড়ানো হয়েছে। এ বছর ৫৬টি ফুটবল প্রশিক্ষণ, ৪টি টুর্নামেন্ট, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য ২২টি সেশন, ২৪টি জীবনদক্ষতা উন্নয়ন এবং ৩২টি ডিজিটাল ক্লাসরুম সেশন পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
পাশাপাশি প্রীতি ম্যাচ, ইনডোর গেমস এবং কমিউনিটি ক্যাম্পেইনও যুক্ত থাকবে।
