Published : 05 Jul 2026, 10:36 PM
দেশে ঐতিহ্যবাহী ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বৈচিত্র্য তুলে ধরতে আয়োজন করা হয়েছে ‘বিসিক বর্ষা মেলা’।
তেজগাঁওয়ে বিসিক ভবনে পাঁচ দিনের এই মেলা রোববার উদ্বোধন করেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
মেলায় হস্তশিল্প ও চামড়াজাত পণ্য, জামদানি, শতরঞ্জি, মণিপুরী শাড়ি, বস্ত্রজাত পণ্য, নকশিকাঁথা, পাটজাত পণ্য, বাঁশ ও বেতজাত পণ্য, মধু ও খাদ্যপণ্যের ৫৬টি স্টল রয়েছে।
বিসিক ভবনের নিচ তলায় রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মেলা চলবে। সকলের জন্য উন্মুক্ত এ মেলা চলবে সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত।
মেলা উদ্বোধনের পর বিসিকের কর্মীদের নিয়ে কর্মশালায় মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন জেলায় বিসিকের যেসব প্রকল্প চলছে, তার অনেকগুলো দীর্ঘসূত্রিতায় আটকে গেছে। দ্রুত এই প্রকল্পগুলো সম্পাদন করা হবে।
এ বছর বেশ কিছু নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “চলতি বছরেই আমরা সেটার বাস্তবায়নে যাব।”
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিসিকের ৮৪টি শিল্প পার্ক থাকার কথা তুলে ধরে শিল্পমন্ত্রী বলেন, “সিএমএসএমই খাতের অবদান জিডিপিতে ৬০ শতাংশের বেশি উন্নীত করতে হবে। ভিয়েতনাম বা কম্বোডিয়া, সেইখানে এই খাতগুলোর অবদান অনেক বেশি, ৫০ এর উপরে। কারো ৫৮ শতাংশ, কারো আরো বেশি।
“অর্থনীতিতে এই খাতগুলোর ব্যাপকতা যত বাড়বে, তত আয় বৈষম্য কমবে। অর্থনীতির মধ্যে পুরো জনগোষ্ঠীর একটা সংশ্লিষ্টতা থাকবে, অর্থনীতির মধ্যে একটা ভারসাম্য থাকবে।”
মন্ত্রী বলেন, “আমরা চাই আগামী দিনে এই সিএমএসএমই খাতের শেয়ার বাড়ুক অর্থনীতিতে এবং সেই শেয়ারটা অবশ্যই ৬০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাক।
“যারা বিসিকের কর্মকর্তা আছেন, যে সমস্ত শিল্প পার্কে অবিক্রীত প্লট এখনো পড়ে আছে এবং যেখানে বরাদ্দকৃত প্লট কয়েক বছর হয়ত শিল্প পরিচালনা হয়েছে, তারপরে সেটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে, এই প্লটগুলো দ্রুত কীভাবে আমরা উদ্যোক্তাদের সংশ্লিষ্ট করতে পারি, এটিই হবে আপনাদের আগামী দিনের পারফরমেন্স।”
শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান, বিসিক চেয়ারম্যান মো. সাইফুল ইসলাম মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।