নসিমন-করিমন বন্ধে হাই কোর্টের রায় বাস্তবায়নে নোটিস
নোটিসে সাত দিনের মধ্যে হাই কোর্টের রায় বাস্তবান করতে বলা হয়েছে; তা নাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
সড়কে নসিমন, করিমন ও ভটভটি চলাচল বন্ধে হাই কোর্টের রায় বাস্তবায়নের সময় বেঁধে দিয়ে কর্তৃপক্ষকে নোটিস দিয়েছেন এক আইনজীবী।
জ্যেষ্ঠ অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বুধবার ডাকযোগে যশোর, খুলনা, ঝিনাইদাহ, কুষ্টিয়া, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা, নড়াইল ও বাগেরহাটের পুলিশ সুপার এবং হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজিকে এ নোটিস পাঠিয়েছেন।
নোটিসে সাত দিনের মধ্যে সড়ক-মহাসড়কে নসিমন, করিমন ও ভটভটি বন্ধে হাই কোর্টের রায় বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে; তা না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয় এতে।
আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সড়ক ও মহাসড়কে নসিমন, করিমন ও ভটভটি চলাচল বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে ২০১৪ সালে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ-এইচআরপিবি একটি রিট আবেদন করে।
তিনি বলেন, “এ সংক্রান্ত রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত যশোর, খুলনা, ঝিনাইদাহ, কুষ্টিয়া, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা, নড়াইল ও বাগেরহাট জেলার সড়ক মহাসড়কে নছিমন, করিমন ও ভটভটি চলাচল বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেয় হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি ও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের।
“একই সঙ্গে আদালতের রায়ের নির্দেশনা ভঙ্গ করে যারা রাস্তায় নছিমন, করিমন ও ভটভটি পরিচালনা করবে তাদের বিরুদ্ধে মোটরযান আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া প্রতি তিন মাস পর পর অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে এফিডেভিড আকারে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং মামলাটি চলমান রাখেন আদালত।”
মনজিল মোরসেদ আরও বলেন, “সাম্প্রতিকালে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয় যে মহাসড়কে নসিমন, করিমন ও ভটভটি চালানো হচ্ছে এবং প্রায়ই দুর্ঘটনায় মানুষ মৃত্যুবরণ করছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে এই নোটিস পাঠানো হলো।
“নির্দেশনা থাকলেও আদালতের আদেশ অমান্য করে সড়কে নসিমন, করিম ও ভটভটি চলার কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে এবং মানুষ মৃত্যুবরণ করেন। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রায়ই সড়কের দুর্ঘটনা হয় এবং এ ধরনের দুর্ঘটনার জন্য সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের রায় বাস্তবায়নে নিষ্ক্রিয়তা দায়ী। নোটিসে সাত দিন সময় দিয়ে নির্দেশনা অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে এবং তাদের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে আদালতে লিখিত অগ্রগতি প্রতিবেদন এফিডেভিট আকারে দাখিলের অনুরোধ করা হয়েছে। নাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
