Published : 05 Jul 2024, 02:06 AM
বিচারকের আদেশে জালিয়াতি করে সই দিয়ে সেটি রায় হিসেবে চালানোর অভিযোগের মামলায় ঢাকার ৯ নম্বর মহানগর হাকিমের পেশকার (বেঞ্চ সহকারী) খন্দকার মোজাম্মেল হক জনি ওরফে জনি খন্দকারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের হেফাজতে পেয়েছে কোতয়ালি থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার তাকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক সুমন চন্দ্র সরকার।
আসামিপক্ষে কয়েকজন আইনজীবী তার রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মহানগর হাকিম মো. মেহেদী হাসানের আদালত তাকে রিমান্ডে পাঠান।
আদালতে কোতোয়ালি থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক তৌহিদুল ইসলাম আদালতপাড়ার সাংবাদিকদের বিষয়টি সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, শুনানির সময় জনি খন্দকারকে তিনি কাঁদতে দেখেছেন। তার আইনজীবীরা আদালতকে বলেছেন, অভিযুক্ত কোনো আদেশ টেম্পারিং করেননি।
এর আগে বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরীর আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে জনি খন্দকার ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারীকে আটকের নির্দেশ দেন।
একই আদালতের সাঁটলিপিকার (স্টেনোগ্রাফার) মো. নূরে আলম বাদী হয়ে ঢাকার কোতোয়ালি থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলার এজাহারে তিনি বলেন, আসামি জনি খন্দকার শেরেবাংলা নগর থানার এক মামলায় ২০২২ সালে ৯ মার্চ ও ২১ মার্চ দুটি ভিন্ন আদেশ নথিতে লিপিবদ্ধ করেন। যেখানে প্রদত্ত স্বাক্ষর ওই আদালতে দায়িত্ব প্রাপ্ত বিচারকের নয়।